দুরন্ত জয় কেকেআরের। ছবি সৌজন্যে ট্যুইটার
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ চলতি আইপিএলেই ১০ দলের মধ্যে ৭টি দলের হেড কোচ বিদেশি। কেবল আরসিবি, গুজরাট ও কেকেআর ভারতীয় হেড কোচে আস্থা রেখেছে। দিল্লি, হায়দরাবাদ ও আরসিবির ক্যাপ্টেনও বিদেশি। গুজরাট ছাড়া কেবল কেকেআরেরে কোচ-ক্যাপ্টেন জুটি নিখাদ ভারতীয়। বলাবাহুল্য টুর্নামেন্টের সব থেকে লো-প্রোফাইল কোচ-ক্যাপ্টেন এই মুহূর্তে নাইট রাইডার্সেরই।
গতকাল ইডেনে ১২৩ রানে বেঙ্গালুরুকে গুটিয়ে দেওয়ার পর কেকেআর অধিনায়ক নীতিশ রানা বলেছেন, “আরসিবির ব্যাটসম্যানরা গতি পছন্দ করে। তাই আমাদের পরিকল্পনা ছিল মাঝের ওভারে ওদের গতি উপহার দেব না। স্লো বোলারদের দিয়ে বল করানোর পরিকল্পনা ছিল, যা যথাযথ কাজে লাগে।’ নাইট কোচ তথা টিম ম্যানেজমেন্টের সাদামাটা সিদ্ধান্তই ইডেনে বড় জয় এনে দেয় কেকেআরকে। যদিও পরিকল্পনা কতটা যথাযথ, তা বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না। আইপিএলের মঞ্চে চার-ছক্কা হাঁকানোই ক্রিকেটারদের প্রাথমিক লক্ষ্য হয়। তার উপর ২০০-র বেশি রান তাড়া করতে নামলে বড় শট নেওয়া ছাড়া উপায়ও থাকে না। ভারতীয় পিচে বিগ হিটারদের আটকে রাখতে স্লো বোলিংকে হাতিয়ার করা হয় ‘যুগ যুগ’ ধরে। সেই চেনা ফাঁদেই পা দেন ডু’প্লেসি-ম্যাক্সওয়েলরা।
ইডেনে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২০৪ রান তোলে। শার্দুল ঠাকুর ৬৮, রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৫৭ ও রিঙ্কু সিং ৪৬ রান করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৭.৪ ওভারে ১২৩ রানে অল-আউট হয়ে যায়। ৮১ রানের বিরাট ব্যবধানে ম্যাচ জেতে কেকেআর। একাই ৪টি উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী।
