Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ৯০-এর দশকে কলকাতা ময়দানে দাঁপিয়ে খেলেছেন। অধিনায়কত্বও করেছেন সাফল্যের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার তাঁর প্রয়াণের সঙ্গেই শেষ হল একটা যুগের। ভারতীয় ফুটবলে একটা সময় বেঙ্গালুরুর অনেকটাই আধিপত্য ছিল। আর তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই ইলিয়াস পাশা। আমেদ খান, অরুময় নৈগম, উলগানাথন, বাবু মানি, কার্লটন চ্যাপম্যানের  তালিকায় আরও একটি নাম ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক, রাইট ব্যাক ইলিয়াস পাশা। ১৯৯০ সালে মহমেডান থেকে ইলিয়াস পাশা যোগ দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলে, গায়ে উঠলো ১৭ নম্বর জার্সি। দ্রুত জায়গা করে নিলেন প্রথম একাদশে। বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই। এদিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

ডানদিক দিয়ে পাশার ওভারল্যাপ ছিল বিখ্যাত। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত ইলিয়াস পাশা ছিলেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ। তার মাঝেই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব আসে ১৯৯৩-এ। পাশার অধিনায়কত্বে ইস্টবেঙ্গল কাপ উইনার্স কাপে ইরাকের শক্তিশালী দল আল জাওরার বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জেতে। এছাড়াও সেই বছরেই নেপালের কাঠমান্ডু থেকে জিতে এসেছিলেন ওয়াই ওয়াই কাপ। ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ইলিয়াস পাশা পাঁচবার কলকাতা লিগ, চারবার ডুরান্ড কাপ, পাঁচবার শিল্ড, দু’বার রোভার্স কাপ, চারবার এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ এবং একবার করে ফেডারেশন কাপ, বরদলুই ট্রফি, সুপার কাপ, ম্যাকডোয়েল কাপ, এসএসএস ট্রফি এবং এটিপিএ শিল্ড জয়ী দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

২০১২ সালে ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবসে ইলিয়াস পাশাকে সংবর্ধিত করে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সঙ্গে ছিলেন আহমেদ খানও। ২০১৯ সালেও ক্লাবের শতবর্ষের মঞ্চে সকল অধিনায়কের সঙ্গে পাশাকেও সম্মানিত করা হয়। সেই বছরই ১৩ অগস্ট প্রাক্তনদের প্রদর্শনী ম্যাচে পাশাকে দেখা যায় ফুটবল পায়ে মাঠে নামতে।

কোটি কোটি লাল হলুদ সমর্থকের হৃদয়ে ইলিয়াস পাশা আজও ক্লাবের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার আরেক নাম। যার নামটা  ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে থেকে যাবে আজীবন। তাঁর প্রয়াণে ময়দানে শোকের ছায়া। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

তথ্য ও ছবি— ইস্টবেঙ্গল ক্লাব

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *