অলস্পোর্ট ডেস্ক: প্রত্যাশামতোই বিসিসিআই সভাপতি হলেন মিঠুন মানহাস। ওই পদে আরও কোনও মনোয়ন জমা না পড়ায় মিঠুন মানহাস নির্বাচিত হলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারন সভায়। সৌরভ গাঙ্গুলি ও হরভজন সিংয়ের নাম ওক সময় শোনা গেলেও, তাঁরা কেউই সভাপতি পদের জন্য রবিবারের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মনোনয় জমা দেননি। আসলে বিভিন্ন রাজ্য সংস্থা ও বিসিসিআইয়ের অন্যান্য পদে ক্ষমতাসীন কর্তারা আগেই দিল্লিতে এক বৈঠকে আলোচনা করে দিল্লির প্রাক্তন ক্রিকেটার মিঠুন মানহাসকে সভাপতি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।
রজার বিনির জায়গায় এলেন মিঠুন। বিসিসিআইয়ের ৩৭ তম সভাপতি হিসেবে। লোধা নিয়মে বিনিকে সরে দাঁড়াতে হয়েছিল ৭০ বছর বয়স হয়ে যাওয়ায়। মিঠুন মানহাস ১৫৭ প্রথম শ্রেণী, ১৩০ লিস্ট এ, ৫৫ টি আইপিএল ম্যাচে অংশ নেন ১৯৯৭-৯৮ থেকে ২০২৬-১৭র মাঝে। আপাতত লোধা নিয়মে বিসিসিআই নির্বাচন হলেও, ৬ মাস বাদে জাতীয় ক্রীড়ানীতি বা প্রশাসনিক বিল বলবত হলে, যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেটা ভেবেই মানহাস ছাড়া বাকি গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ব্যক্তিদের বাছাই করা হয়েছে।
বিসিসিআই সচিব পদে দেবজিত শইকিয়া, সহ সভাপতি পদে রাজীব শুক্লা ও আইপিএল গর্ভনিং কাউন্সিল চেয়ারম্যান পদে থেকে গেলেন অরুন ধুমাল। কোষাধ্যক্ষ হলেন কর্নাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্রধান প্রাক্তন ক্রিকেটা রঘুরাম ভাট। কোষাধ্যক্ষ থেকে যুগ্মসচিব হলেন প্রভতেজ ভাটিয়া। ওই পদে এতদিন ছিলেন রোহন গাউনস দেশাই। দিলীপ বেঙ্গসরকারের জায়গায় অ্যাপেক্স কাউন্সিলে এলেন সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়দেব শাহ।
নীতু ডেভিডের জায়গায় মহিলা দল বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান হলেন অমিতা শর্মা। কামিটির অন্যান্য সসদ্যরা হলেন শ্যামা দে, জয়া শর্মা, শ্রাবন্তী নাইডু। এঁরা মহিলা বিশ্বকাপ শেষে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। পুরুষ দল বাছাই কমিটিতে ঢুকলেন আরপি সিং, প্রজ্ঞান ওঝা। জুনিয়র সিলেক্সন কমিটিতে এলেন এস শরথ।
মিঠুন মানহাসের সভাপতি পদে নির্বাচন নিয়ে পাঞ্জাব ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি হরভজনের প্রতিক্রিয়া, ‘ ক্রিকেট প্রশাসনের মাথায় যখন কোনও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার বসে তখন খেলাটা উন্নতির হয়। এটা খুব ভাল সিদ্ধান্ত। এনিয়ে ৩ বার এমন ঘটল। মিঠুনের সঙ্গে অনূর্ধ্ব ১৯ বয়সকাল থেকে অনেক ক্রিকেট খেলেছি। তাই ও সভাপতি হওয়ায় খুশি। নিজের খেলোয়াড় জীবনে যে পরিকাঠামো, সুযোগ সুবিধা মিঠুন পায়নি, সেগুলো পূরণের চেষ্টা নিশ্চয়ই করবে। সারা দেশ জুড়ে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে। সেগুলো যাতে ঠিকঠাক তৈরি হয়, পরবর্তী সময় ঠিক থাকে, সেব্যাপারে মিঠুনকে নজর দিতে হবে।’
হরভজন বিসিসিআইয়ের সভায় পদাধিকারী ও কমিটির অন্যান্য সদস্যের কাছে আবেদন রাখেন, বিসিসিআই তহবিল থেকে বন্যা বিধ্বস্ত পাঞ্জাব ও উত্তর ভারতের মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়াতে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
