Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: এশিয়াকাপ-এ ভারত বনাম পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচটিতে একটি ইনিংসই খেলা সম্ভব হয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর আগেই বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় ম্যাচটি। বছরের পর বছর ধরে কোহলি এবং বাবর রানের রেকর্ডে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছেন। নিজেদের দলের জন্য সবসময় নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছেন। আশা করা হচ্ছে এবার বৃষ্টির বাধা ছাড়াই এশিয়া কাপে সেরা চার এর পর্বে আরও একবার কোহলি এবং বাবরের প্রতিদ্বন্দীতা দেখা যাবে।

২০১৫-তে ওডিআই অভিষেক হয়েছিল বাবরের। সেই সময় বিরাট কোহলি নিজের কেরিয়ারের শীর্ষে ছিলেন। বিরাট এবং বাবর উভয়েরই ওডিআইতে গড় একই ছিল। কিন্তু তবুও ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিরাট বাবরের উপর নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে পেরেছিলেন।

এরপর সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়। ২০২০ থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিরাটের তুলনায় বাবরের গড় বেশী ছিল।(২০১৫,২০১৯ এবং ২০২৩) বিশ্বকাপের বছরগুলিতে তাঁদের উভয়েরই ব্যাটিং গড় একই রয়েছে। বিশ্বকাপের বছরগুলিই তাঁদের গড় ব্যাটিয়ের ক্ষেত্রে উভয়েরই কেরিয়ারের মোড় ঘোরানোর পর্ব হয়ে উঠেছে।

ওডিআই অভিষেকের পর গড় এবং স্ট্রাইক রেটের দিক থেকে বিরাট বাবরের চেয়ে খানিকটা ভাল জায়গাতেই রয়েছেন। এই পাক ব্যাটারের অভিষেকের পর থেকে বিরাট বাবরের থেকে ১৩ ইনিংস বেশী ব্যাট করেছেন এবং তাঁর ওয়ান ডে-তেও বাবরের থেকে ভাল নম্বর রয়েছে। যদিও ভারতীয় এই তারকা ব্যাটসম্যান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ খেলায় ৪ রানেই আউট হয়েছিলেন। তবুও সীমান্তের ওপারের প্রতিদ্বন্দীদের বিরুদ্ধে তাঁর ভাল নম্বরই তোলা রয়েছে।

২০১৫ থেকে ওডিআইতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটারদের করা রানের ২০.৬ শতাংশ রানই বিরাটের করা। এছাড়াও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাটিং গড়ও অন্যান্য ব্যাটসম্যানদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন।

অন্যদিকে ওয়ানডেতে ভারতের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই করে গিয়েছেন বাবর। ভারতের বিরুদ্ধে তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর ৪৮।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত তাদের শেষ লড়াইয়ে পাক পেসারদের কাছে ১০টি উইকেট হারায়। পাক পেসাররা হলেন-শাহীন, নাসিম এবং রউফ। সাম্প্রতিক সময়ে ওডিআইতে পেস বোলারদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটাররা খুবই খারাপ পারর্ফম্যান্স করেছেন।

পাকিস্তানের পেস ত্রয়ী হচ্ছেন – হারিস রউফ , নাসিম শাহ এবং শাহীন আফ্রিদি এশিয়া কাপ ২০২৩-এ এখন পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় উইকেট শিকারীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন এঁরা।

শাহীন ২০২২ থেকেই ওয়ানডেতে ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে বিশেষভাবে কার্যকর। ভারতের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে তিনি বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, হার্দিক পাণ্ড্যে এবং রবীন্দ্র জাদেজাকে আউট করেছেন।

২০২২ সাল থেকেই শাহীন ওয়ানডেতে পাওয়ারপ্লে এবং ডেথ ওভারে বোলিং উপভোগ করে চলেছেন। আগের ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিটি পর্বেই তিনি ২ উইকেট করে নিয়েছিলেন।

ভারতীয় ওপেনাররাও সামগ্রিকভাবে বেশ কার্যকরী। নেপালের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচটিতে তাঁরা ১০ উইকেটে ১৪৭ রানের ওপেনিং স্ট্যান্ড নিশ্চিত করেছিলেন। রোহিত এবং শুভমান ভারতের হয়ে ইনিংস শুরু করেন এবং ১০ ইনিংসে তাঁরা ৮৪৫ রান করেছেন। যা ২০২৩-এর যে কোন উইকেট জুটির থেকে সবচেয়ে বেশী।

ওপেনিং জুটি হিসেবে রোহিত এবং গিলের গড় ৯৩.৯ শতাংশ, যা ওডিআইতে ২০২৩-এর ভারতীয় ওপেনিং জুটির সেরা। ৫০০ রান। মজার বিষয় গিল শীর্ষ ৩-এর জুটিতে এই নিয়ে দু’বার আধিপত্য বজায় রাখলেন।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *