অলস্পোর্ট ডেস্ক: লিওনেল মেসি প্রথম একাদশে ছিলেন না, তবুও শনিবার নিউইয়র্ক রেড বুলসের বিরুদ্ধে মেজর লিগ সকারের ম্যাচে ইন্টার মিয়ামির জন্য তাঁর গোলটিই সমস্ত পার্থক্য তৈরি করে দিল৷ প্লে-অফ ম্যাচে ইন্টার মিয়ামির হয়ে তাঁর অনবদ্য একক গোলে ২-০ করল দল। বেঞ্চ ছেড়ে মাঠে নামতেই বদলে গেল খেলার গতি। তার আগে অবশ্য ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল দল। তিনি নেমে ২-০ গোলে জিততে সাহায্য করেন। যিনি ইতিমধ্যেই অন্যান্য প্রতিযোগিতায় ক্লাবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গোলে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি যেন সেই বার্সেলোনার মেসি। এমএলএস মরসুমে এটি ছিল মেসির প্রথম গোল।
এক সপ্তাহ পরে যেখানে মিয়ামি লিগ কাপ জিতেছে এবং ইউএস ওপেন কাপের ফাইনালে পৌঁছেছে, মেসিকে কোচ জেরার্ড “তাতা” মার্টিনো বেঞ্চে রেখেছিলেন। যিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার। কিন্তু ম্যাচের একঘণ্টা বাকি থাকতেই তাঁকে মাঠে নামান কোচ।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী বার্সেলোনার প্রাক্তন সতীর্থ সার্জিও বুসকেটসের সঙ্গে মাঠে সেই পুরনো ছন্দই তৈরি করেন। যদিও গোল করেন ম্যাচের একদম শেষ মিনিটে। ৮৯ মিনিটে তাঁর এই গোলের সঙ্গেই মেজর লিগ সকারে অভিষেক হয়ে গেল লিওনেল মেসির।
জর্দি আলবার অসাধারণ হুকে বল বক্সের মধ্যে মেসির কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু সেই সময় সেখান থেকে গোল করা তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। সেই সময় তিনি ছোট্ট টোকায় গড়ানে শটে বল পাঠিয়ে দেন বেঞ্জামিন ক্রেমাস্কির কাছে। তবে গোল করেননি তিনিও। কারণ ততক্ষণে পজিশন নিয়ে ফেলেছেন মেসি। বেঞ্জামিনের লো ক্রস সাতবারের ব্যালন ডি’ওর জয়ী ট্যাপ করেই গোলে শট নেন। সেই বল আটকানোর ক্ষমতা সম্প্রতি কোনও গোলকিপারের হয়নি।
ইন্টার মিয়ামিতে যোগদানের পর থেকে মেসি এখন পর্যন্ত ন’টি ম্যাচে ১১টি গোল করে ফেললেন।
৩৭ মিনিটেি অবশ্য এগিয়ে গিয়েছিলেন ইন্টার মিয়ামি। নোয়া অ্যালেন বাঁ দিক থেকে ক্রস তুলেছিলেন বক্সের মধ্যে। প্যারাগুয়ের দিয়েগো গোমেজের বল ধরে ঘুরে বাঁ-পায়ে শট নেন। অনেকটা সময় পেয়েছিলেন তিনি গোল করার। প্রতিপক্ষ রক্ষণের বড় ব্যর্থতাকে সহজেই কাজে লাগিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন মিয়ামি।
এই জয় মিয়ামিকে ইস্টার্ন কনফারেন্সের তালিকার নিচ থেকে তুলে এনেছে এবং ১১টি ম্যাচ বাকি থাকতে শেষ প্লে-অফ খেলার ব্যবধান ১১ পয়েন্টে কমিয়ে এনেছে। মেসি ম্যাজিকে ক্রমশ সেরা দল হয়ে ওঠার পথেই হাঁটছে ইন্টার মিয়ামি।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
