Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India
মহেশ সিং

অলস্পোর্ট ডেস্ক: ইম্ফল থেকে ২৫-৩০ কিলোমিটার দূরের এক গ্রাম নম্বোল নাওরেম-এর মহেশ সিং এখন গোটা দেশের জন্য পরিচিত নাম। কিন্তু সেই গ্রামের আর কেউ কি দেশের জার্সি গায়ে ফুটবল মাঠে নেমেছেন? কী করেই বা নামবেন? যে গ্রামের বেশির ভাগ পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, যে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা হয় চাষবাস, নয় দিনমজুরি, সেই গ্রামের কোনও ছেলে কী করেই বা জীবন-জীবিকার ভাবনা ছেড়ে দিনরাত খেলাধুলা নিয়ে পড়ে থাকার দুঃসাহস দেখাবে?

তবু সেই স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সে গ্রামের এক কাঠ মিস্ত্রি ইনগো সিং। তিনি তাঁর ছেলকে সেই স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন বলেই ভারতীয় ফুটবলে আজ এক নতুন তারকার জন্ম হয়েছে। তাঁর নাম মহেশ সিং। ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা তো বটেই, বাংলার ফুটবলপ্রেমীরাও তাঁর জন্য গর্বিত। কারণ, তিনি যে এই বাংলারই এক ক্লাবের এক নির্ভরযোগ্য ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গল এফসি হয়তো গত মরশুমে তেমন সাফল্য পায়নি। কিন্তু এই দলের হয়ে খেলে মহেশের প্রতিভার ছটার বিচ্ছুরণ যে ভাবে হয়েছে, তা তাঁকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনাতেও উজ্জ্বল করে তুলেছে। সে জন্যই এখনও বোধহয় অনেকে বিশ্বাস করে, সত্যিকারের প্রতিভাকে কখনও আটকে রাখা যায় না।

ভারতীয় ফুটবলের নয়া তারকা

এ বারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের বিরুদ্ধে ভারত যে দু’গোলে জেতে, সেই দুই গোলেই মহেশের অবদান ছিল। একটি তো তিনি নিজেই করেন, অন্যটি তাঁর পাস থেকেই করেন সুনীল ছেত্রী। সে দিন ম্যাচের ৬১ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক দিয়ে উঠে মহেশ বক্সের মধ্যে মাপা ক্রস দেন কার্যত অরক্ষিত সুনীল ছেত্রীকে। মুক্ত সুনীল জালে বল জড়াতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি। এর দশ মিনিট পরে প্রতি আক্রমণে ওঠা সহাল আব্দুল সামাদ প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে সুনীলকে সোজা পাস বাড়ান। সুনীল বক্সে ঢুকে গোলে শট নিলেও তা নেপালের গোলকিপারের হাতে লেগে বারে ধাক্কা খায়। বার থেকে ফিরে আসা বল অনুসরণ করে তা জালে জড়িয়ে দেন সুযোগসন্ধানী মহেশ।

এমন পারফরম্যান্সের পর মহেশকে নিয়ে হইচই হবে না, তাই কখনও হয়? এর আগের দুই ম্যাচেও পরিবর্ত হিসেবে নেমে ভারতীয় দলের কোচ স্টিমাচকে যথেষ্ট খুশি করেছিলেন তিনি। ফুটবল মাঠে যতটা আক্রমণাত্মক ও ছটফটে ২৪ ভছর বয়সী এই লেফট উইঙ্গার, মাঠের বাইরে ততটাই লাজুক ও কম কথার মানুষ এই মহেশ। নিজের সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে বরাবরই নারাজ। যা বলেন, নিজের খেলার মাধ্যমে বলেন। যেমন বলেছিলেন গত হিরো আইএসএল মরশুমে।

দেশের এক নম্বর লিগে তাঁর দল ইস্টবেঙ্গল তেমন ভাল কিছু ফল করতে না পারলেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান মহেশ। মোট ১৯টি ম্যাচে তিনি দুটি গোল করেন ও সাতটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন। একই ম্যাচে তিনটি অ্যাসিস্টের রেকর্ডও আছে তাঁর, যা আর কোনও ভারতীয় ফুটবলারের নেই। ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করেন তিনিই। মহেশের কনভারশন রেটও ছিল উল্লেখযোগ্য, ১৩ শতাংশ।

ইস্টবেঙ্গলের কোচ স্টিফেন কনস্টান্টাইন একাধিকবার মহেশের প্রশংসা করেন। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ক্লেটন সিলভা ও মহেশের জুটিই লাল-হলুদ শিবিরকে অধিকাংশ গোল এনে দেন। দলের ২২টি গোলের মধ্যে ১৩টিতে ক্লেটনের ও ন’টিতে মহেশের অবদান ছিল। লিগের পরে মহেশ ভারতীয় দলেও ডাক পান। ইম্ফলে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে মায়নমারের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৭১ মিনিটের মাথায় মহেশকে নামান ভারতের কোচ ইগর স্টিমাচ।

ম্যাচের পর স্টিমাচ সাংবাদিকদের বলেন, “মহেশ আমাকে অবাক করে দিয়েছে। আইএসএলে ওর দক্ষতার প্রমাণ আমি পেয়েছি। কিন্তু আইএসএল থেকে যখন ফুটবলাররা ভারতীয় দলে আসে, তখন চাপটা অন্য রকমের হয়। আজ ও অসাধারণ খেলেছে। যতটুকু খেলেছে, একেবারে নিখুঁত খেলেছে”।

স্টিমাচের এই প্রতিক্রিয়া শুনেই বোঝা গিয়েছিল মহেশ এবার থেকে ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠতে চলেছেন এবং সেটাই হয়। হিরো আইএসএলের পরেই তাঁর নিজের জন্মভূমি ইম্ফলে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় মহেশের।

সাফল্য দিয়েই শুরু

মায়ানমার ও কিরগিজস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে যথাক্রমে ১৭ ও ৩৩ মিনিট তাঁকে খেলিয়ে দেখে নেন স্টিমাচ এবং বলা যায় প্রথম দর্শনেই নতুন তারকার প্রেমে পড়ে যান। ভুবনেশ্বরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে প্রথম ম্যাচে মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধেও ৩২ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি। এই তিন ম্যাচেই স্টিমাচকে খুব একটা অভিযোগের সুযোগ দেননি তিনি। ফলে ভানুয়াতুর বিরুদ্ধে পুরো ৯০ মিনিটই খেলেন মহেশ। ফাইনালে লেবাননের বিরুদ্ধে অবশ্য তাঁকে মাঠে নামাননি ভারতীয় কোচ।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অবশ্য কোনও ম্যাচেই তাঁকে মাঠে না নামিয়ে থাকতে পারেননি সহকারী কোচ মহেশ গাওলি। এই টুর্নামেন্টে পরপর দু’বার লাল কার্ড দেখে স্টিমাচ বেশিরভাগ ম্যাচেই মাঠের বাইরে থাকায় প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ডিফেন্ডার গাওলিই দল পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। নেপাল ও কুয়েতের বিরুদ্ধে মহেশকে পুরো ৯০ মিনিট খেলান তিনি। লেবানন ও কুয়েতের বিরুদ্ধে পরিবর্ত হিসেবে নেমে পুরো দ্বিতীয়ার্ধই খেলেন।

বেঙ্গালুরুতে জুনিয়র মহেশের দাপট দেখে মুগ্ধ সিনিয়র মহেশ বলেন, “অসাধারণ ফুটবলার। আমরা ওর মধ্যে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের তারকা খুঁজে পেয়েছি। নেপালের বিরুদ্ধে ম্যাচে মহেশের ক্রসটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট। কারণ, ছেত্রীর গোলটার পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে চলে আসে। ওই গোলটাই আমাদের ছেলেদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়”।

উইং দিয়ে ওঠার সময় তাঁর ক্ষিপ্রতা ও প্রতিপক্ষের বক্সের ঢোকার সময় তাঁর গতি ও নিয়ন্ত্রণ অনেক দিন পরে কোনও ভারতীয়ের মধ্যে দেখছেন এ দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে বারবার দেখা গিয়েছে তাঁর এই জাদু। জামশেদপুর এফসি-র বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৩-১ জয়ে তিনটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মহেশ। দু’টি ক্লেটন সিলভাকে, একটি ভিপি সুহেরকে। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড ক্লেটনের সঙ্গে যে জুটি গড়ে ওঠে তাঁর, সেটাই ছিল গত মরশুমে লাল-হলুদ বাহিনীর একমাত্র ইতিবাচক দিক।

ধন্যবাদ, ক্লেটন সিলভা

হিরো আইএসএলে গত দুই মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ বিভাগে এ ভাবে দুই ফুটবলারের জুগলবন্দিতে একাধিক গোল হওয়ার দৃশ্য বড় একটা দেখা যায়নি। ক্লেটনের সঙ্গে তাঁর এই রসায়ন নিয়ে মহেশ জানুয়ারিতে কলকাতায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আড্ডায় বলেন, “আমি ক্লেটনের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি এবং শিখে চলেছি। যদি কখনও ভারতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাই, তা হলে আমাকে এই কাজগুলো করতে হবে, যেগুলো ও করে থাকে। যখনই আমি বল নিয়ে উঠি এবং সামনে তাকাই, তখনই ওকে দেখতে পাই। যেখানেই ওকে দরকার, সেখানেই ওকে পাওয়া যায়। সব সময় দৌড়চ্ছে। ওর থেকে অনেক কিছু শিখি। ওর এই গতিবিধির জন্য আমারও সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়”।

ক্লেটনের সঙ্গে তাঁর এই জুগলবন্দির ফলেই ভারতীয় ফুটবল এক নতুন তারকা খুঁজে পেয়েছে। এ জন্য ব্রাজিলীয় তারকার অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য।তাঁদের এই রসায়নের রহস্য সম্পর্কে ক্লেটন বলেন, “মাঠে মহেশ ও আমি সব সময়ই কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করি। ও যখনই বল নিয়ে ওঠে, ড্রিবল করে, তখনই আমি ওকে অনুসরণ করি, যাতে ও আমাকে বল দেয়। ওকে যথাসম্ভব কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। সব সময় ওর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। এই ভাবেই আমরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি এবং এটাই গোলের ক্ষেত্রে কাজে আসে”।

জীবনযুদ্ধে অদম্য সঙ্গি ইনগো

ভারতীয় দল না হয় সাফল্যের মধ্যে রয়েছে। তাই মোটিভেশনের অভাব হচ্ছে না। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন দলের ফল খারাপ হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন সব সময়। কী ভাবে? “সত্যিই এটা কঠিন কাজ। বিশেষ করে দল যখন হারে। হারের পরের দিন কোনও সমর্থকের মুখ দেখতে ইচ্ছে করে না। ঠিকমতো খেতে, ঘুমোতে পারি না। তবে ক্রমশ নিজেকে শান্ত করি। হারলে খারাপ লাগে ঠিকই। কিন্তু ভাবি, যা হওয়ার তা তো হয়ে গিয়েছে। এটা তো আর বদলানো যাবে না। তাই পরের ম্যাচে বরং সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করি, সে জন্য ঠিকমতো প্রস্তুতি নিই। তা হলেই বরং ভাল ফল পাওয়া যাবে এবং পরিস্থিতি বদলানো যাবে। প্রতি ম্যাচের আগে আমাদের শিবিরে এটাই হয়”, বলেন মহেশ।

আসলে তারকা হয়ে ওঠার আগে তাঁর যে জীবনযুদ্ধ, তা তাঁকে মানসিক ভাবে অনেক কঠোর হতে শিখিয়েছে। কাঠের কাজ করে কোনওমতে সংসার চালাতে মহেশের বাবা। তিনি নিজেও ফুটবলার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দারিদ্রের তাড়নায় সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ছেলের মধ্যেও যখন ফুটবল নিয়ে প্রবল আগ্রহ দেখেন তিনি, তখন প্রবল দারিদ্রের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ভর্তি করে দেন গ্রামের এক ফুটবল অ্যাকাডেমিতে। সেই অ্যাকাডেমি দলের হয়ে খেলে অল্প দিনের মধ্যেই অনেকের নজরে পড়ে যান মহেশ। ডাক আসে বীরচন্দ্র মেমোরিয়াল স্পোর্টিং ক্লাবে, যেখান থেকে উঠে এসেছেন সুরেশ সিং, রোশন সিংরা।

বীরচন্দ্র থেকেই ডাক পান শিলং লাজং এফসি-তে খেলার জন্য। কিন্তু ফের টেনে ধরে দারিদ্রের জ্বালা। কিন্তু ছেলেকে সেই জ্বালা টের পেতে দেননি মহেশের বাবা ইনগো। ছেলেকে বলে দেন, ‘তুই ফুটবল চালিয়ে যা, আমি সব সামলে নেব’। লাজংয়ের জুনিয়র দল থেকে সিনিয়র দলে আসতে এক বছরের বেশি সময় নেননি মহেশ। ২০১৮-য় সিনিয়র দলের হয়ে অভিষেকেই জোড়া গোল করে হইচই ফেলে দেন তিনি। তার পরে কেরালা ব্লাস্টার্স, সুদেভা দিল্লি হয়ে ফুটবলের মক্কা কলকাতায়, ইস্টবেঙ্গলে। ছেলে ও বাবার দাঁতে দাঁত চাপা এই লড়াই এতদিনে সুদিন দেখেছে। আরও দেখবে।

আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে

গত মরশুমে মহেশের সঙ্গে ছিলেন শুধু ক্লেটন। ভিপি সুহের, জর্ডন ও’ডোহার্টি, অ্যালেক্স লিমা, চ্যারিস কিরিয়াকুরা তাঁদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাল খেলতে পারলে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ কিন্তু আরও ধারালো হত। কিন্তু তাঁরা তা পারেননি।সারা লিগে জেতার জায়গায় থেকেও মোট ১১ পয়েন্ট খোয়ায় তারা।

এ বার সে রকম হওয়ার কথা নয়। মহেশ ও ক্লেটনের জুটি তো থাকবেই। এ ছাড়াও ফরোয়ার্ড হাভিয়ে সিভেরিও ও সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার সল ক্রেসপোকে সই করিয়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব। এ ছাড়া হায়দরাবাদ এফসি থেকে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরা গঞ্জালেস, সফল ভারতীয় উইঙ্গার নন্দকুমার শেখরকেও নিয়ে এসেছে তারা। ভিপি সুহেরও থেকে গিয়েছেন এই মরশুমে। সুতরাং বলা যায়, নামের দিক থেকে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ বিভাগ মোটেই খারাপ নয়। এঁরা যদি ফর্মে থাকে এবং কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত যদি এঁদের ঠিকমতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে পারেন, তা হলে সাফল্য নিশ্চয়ই আসবে।

মহেশকে কোচ কী ভাবে ব্যবহার করবেন, সেটাও একটা আকর্ষণীয় বিষয়। তবে এ বার ক্লাব ফুটবলে যেমন ফোকাস থাকবে, তেমনই ভারতীয় দলের ওপরও যথেষ্ট ফোকাস থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের। কারণ, জানুয়ারিতে, হিরো আইএসএলের মাঝামাঝি সময়ে কাতারে এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলবে ভারত। তার আগেও বেশ কয়েকটি প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট ও ম্যাচ রয়েছে ইগর স্টিমাচের দলের।

এই দুই দিকই বজায় রেখে ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলে যাওয়াটা ভারতীয় ফুটবলারদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে মহেশকেও। কারণ, তিনি তাঁর ক্লাব ও জাতীয় দল, দুইয়েরই নির্ভরযোগ্য সদস্য। এই চাপ নিতে পারবেন কি মণিপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রামের সরল, সাদাসিধা ছেলেটি? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতেই হবে।

(লেখা ও ছবি আইএসএল ওয়েবসাইট)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *