অলস্পোর্ট ডেস্ক: এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা গোলদাতা কেলিয়ান এমবাপে এমন একজন ব্যক্তি যিনি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শিরোনামে রয়েছেন। তাঁর চুক্তির পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের সঙ্গে এই মুহূর্তে বিরোধ তুঙ্গে। এমবাপে ২০২৪-এ ফ্রি এজেন্ট হিসাবে ক্লাব ছেড়ে যেতে চান। কিন্তু বেঁকে বসেছে পিএসজি। তাদের দাবি, ক্লাবে থাকতে হলে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে হবে অথবা বর্তমান ট্রান্সফার উইন্ডোতে তাঁকে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে বিক্রি করতে চায় তারা। এই সমস্যার কারণে দু’পক্ষের মধ্যে সমস্যা তুঙ্গে উঠেছে। এশিয়ান ট্যুরেও পিএসজি দলে রাখেনি এমবাপেকে। এই মুহূর্তে যা খবর তাতে সৌদি আরব থেকে অএই ফরোয়ার্ডের জন্য ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর অফার করা হয়েছে। বলা হচ্ছে এটি একটি ‘বিশ্ব রেকর্ড’ বিড।
সৌদি ক্লাব আল-হিলাল, যেটি ইতিমধ্যেই এই গ্রীষ্মে দল গোছাতে শুরু করে দিয়েছে। তারাই পিএসজি থেকে এমবাপেকে সই করাতে ইচ্ছুক বলে জানা গিয়েছে। তারা নাকি ইতিমধ্যেই বিড জমা দিয়েছে এমবাপের ক্লাবের কাছে যা পিএসজি গ্রহণ করতে আগ্রহী বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ফুটবল ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফ্যাব্রিজিও রোমানো নিশ্চিত করেছেন যে লিগ ওয়ান জায়ান্টরা আল-হিলালের কাছ থেকে এমবাপের জন্য এই বিড পেয়েছে।
আল-হিলালকে এমবাপের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দিয়েছে পিএসজি বলে জানা গিয়েছে। এমবাপের মতো একজন শীর্ষে থাকা খেলোয়াড়কে এমন সময়ে সৌদি আরবের ক্লাবে চলে যেতে দেওয়াটা অস্বাভাবিক বলে মনে হলেও সেটাই হয়তো ঘটতে চলেছে।
কয়েকদিন আগে, পিএসজি কিলিয়ান এমবাপেকে প্রাক-মরসুম জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফরের জন্য তাদের দলে রাখেনি, যা এমবাপের ভবিষ্যত নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। পিএসজি ফ্রান্সের অধিনায়ককে বাদ দেওয়ার কোনও কারণ এখনও জানায়নি তবে ২৪ বছর বয়সী এমবাপে কয়েক সপ্তাহ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি নতুন চুক্তিতে সই করবেন না।
সফর থেকে তার বাদ পড়ার পর এমবাপের ভবিষ্যত নিয়ে নতুন জল্পনা উঠে এসেছিল সেটা হল আগামী মরসুমের আগে রিয়েল মাদ্রিদে যোগ দিতে পারেন তিনি। রিয়েল মাদ্রিদ দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে সই করাতে আগ্রহী এবং অনেকেই মনে করছেন যে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিমধ্যেই একটি চুক্তি হয়ে গিয়েছে। এমবাপের বর্তমান পিএসজি চুক্তির মেয়াদ আগামী গ্রীষ্মে শেষ হবে সেখাই এক বছর চুক্তি বাড়ানোর বিকল্পও রয়েছে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
