কলকাতার বাইরে ডার্বি মানে কিছুটা ম্যারম্যারে। কারণ দুই দলের সমর্থকরা সব সময় গ্যালারি ভরাাতে পারেন না। তবে এবারটা কিন্তু তেমন হচ্ছে না।
দারুণ মুডে ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। কলিঙ্গ সুপার কাপ-এ তুলুনামূলকভাবে মোহনবাগানের থেকে ভাল ফুটবল খেলেই ডার্বি খেলতে নামছে তাঁর দল।
রাত পোহালেই আরও একটি ডার্বি। মরসুমের তৃতীয় কলকাতা ডার্বিতে কলিঙ্গ সুপার কাপ খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান, তবে উড়িষ্যার মাটিতে।
বুধবার বেঙ্গালুরুতে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর জয় পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।
ভারত বনাম আফগানিস্তান তৃতীয় টি-টোয়েন্টি রীতিমতো মতো জমে গেল। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ড্র হয়ে যাওয়ার পর খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান খেলছে কিন্তু গ্যালারি ফাঁকা এমনটা সাধারণত দেখা যায় না। কলকাতার বাইরে অন্য রাজ্যে যে সেটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
তার কেরিয়ারে এই প্রথম বিশ্বনাথন আনন্দকে ছাঁপিয়ে গেলেন গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানান্ধা । তাঁকে পেছনে ফেলে ভারতের শীর্ষস্থানীয় পুরুষ দাবা খেলোয়াড় হয়ে গেলেন তিনি।
এক কথায় ফেডারেশনকে অপদার্থ আখ্যা দিলেন প্রাক্তন মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন । তাঁর প্রশ্ন, “সুপার কাপের মতো একটা ইভেন্ট কিন্ত কোনও টেলিভিশন চ্যানেলে তার লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে না।
যশস্বী জয়সওয়াল এবং শিবম দুবের তরুণ ভারতীয় জুটি তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য পুরস্কৃত হতে চলেছেন।
মাঝে মাত্র আর একটা দিন। তার পরই নতুন বছরের প্রথম ডার্বি খেলতে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। তার আগে কেমনভাবে কাটল দুই দলের সময়।
