এ বার প্রতিপক্ষ গত বারের চ্যাম্পিয়ন গুজরাত টাইটান্স। আজ আমেদাবাদ থেকে ২ পয়েন্ট নিয়েই কলকাতায় ফিরতে চাইছেন নাইটরা। অন্য দিকে ঘরের মাঠে জয়ের ছন্দ অব্যাহত রাখতে চান হার্দিক পান্ডিয়ারা।
অজিঙ্ক রাহানের অভিষেক হল চেন্নাইয়ের জার্সিতে। নেমেই প্রথম ম্যাচে ২৭ বলে ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দিলেন তিনি। মুম্বইকে ৭ উইকেটে হারাল চেন্নাই।
রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধেও জিততে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস। সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে ডেভিড ওয়ার্নাররা হারলেন ৫৭ রানে। প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান করে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান। জবাবে দিল্লির ইনিংস শেষ হল ৯ উইকেটে ১৪২ রানে।
প্রথম ম্যাচে হেরে কিছুটা পিছিয়ে থাকা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে এ বার চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথম ম্যাচে রোহিত শর্মাদের হারতে হয়েছিল বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে। এ বার সামনে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।
প্রথম ম্যাচে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি এডেন মার্করাম। তাই তাঁর বদলে দলকে নেতৃত্ব দেন ভুবনেশ্বর কুমার। আর ভুবির নেতৃত্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হায়দরাবাদ বাজে ভাবে হেরেছিল। লখনউয়ের বিরুদ্ধে মার্করাম দায়িত্ব নেওয়ার পরেও বদলাল না তাদের ভাগ্য।
সানরাইকার্স হায়দরাবাদকে ৫ উইকেটে হারিয়ে লিগে দ্বিতীয় জয় পেল লখনউ সুপারজায়ান্ট।
গুজরাট ছাড়া কেবল কেকেআরেরে কোচ-ক্যাপ্টেন জুটি নিখাদ ভারতীয়। বলাবাহুল্য টুর্নামেন্টের সব থেকে লো-প্রোফাইল কোচ-ক্যাপ্টেন এই মুহূর্তে নাইট রাইডার্সেরই।
ঘরের মাঠে জয় দিয়েই শুরু করল কলকাতা। বিরাট কোহলিদের বেঙ্গালুরুকে ৮১ রানে হারালেন নাইটরা। প্রথমে ব্যাট করে কেকেআর করে ৭ উইকেটে ২০৪ রান। জবাবে আরসিবির ইনিংস শেষ হল ১২৩ রানে।
বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে কয়েকটি বদল হতে পারে নাইটদের দলে। সম্ভবত চোট সারিয়ে লকি ফার্গুসন ফিরতে পারেন দলে।
ঘরের মাঠে রিয়ালের হাতে চূর্ণ হল বার্সেলোনা। কোপা দেল রে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে রিয়াল মাদ্রিদ জিতল ৪-০ গোলে। হ্যাটট্রিক করলেন করিম বেঞ্জেমা। অপর গোল ভিনিসিয়াস জুনিয়রের। প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে গেল রিয়াল।
