Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
এক শিবিরে যখন হতাশার অন্ধকার নেমে এসেছে, অন্য শিবিরে তখনও আত্মবিশ্বাসের ছাপ স্পষ্ট। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে কলকাতা ডার্বি গোলশূন্য হওয়ার পর দুই শিবিরের চেহারা এ রকমই।
মাত্র ৩৬ সেকেন্ডে ১১ জনের দল হয়ে গেল ৯ জনের। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচ ছিল ইস্টবেঙ্গলের জন্য কিন্তু সেখানে রেফারির বেশ কিছু অন্যায় সিদ্ধান্ত শুরুতেই বড় ধাক্কা দিল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে।
রয় কৃষ্ণা, হুগো বুমৌসকে কী ভাবে আটকাবে মোহনবাগান রক্ষণ, তা দেখার আগ্রহ নিয়ে গ্যালারিতে হাজির থাকবেন ফুটবলপ্রেমীরা।
ভুটান থেকে অক্সিজেন নিয়ে ফিরেছে দল। ড্রেসিংরুমও চনমনে। অনুশীলনেও তৎপর ফুটবলাররা। অস্কার ব্রুজোঁ জমানায় দেখা গেল অনুশীলনের রাখ-ঢাক সব উধাও।
ম্যাচের আগেই বলেছিলেন, হায়দরাবাদকে হারাতে তাদের যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। বুধবার জিএমসি বালাযোগী স্টেডিয়ামে সত্যিই প্রচুর ঘাম ঝরিয়ে সাফল্য অর্জন করতে হল হোসে মোলিনার দলকে।
দিন দশেক আগে যে মেজাজে কলকাতা ডার্বি জিতেছিল তারা, সেই মেজাজ ধরে রাখতে না পারলেও বুধবার হায়দরাবাদ এফসি-কে ২-০-য় হারিয়ে চলতি আইএসএলে প্রথম জয়ের হ্যাটট্রিকটি করে ফেলল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
তাদের শেষ দুই ম্যাচই ছিল ডার্বি, যাতে একটিও গোল না খেয়ে পাঁচ-পাঁচটি গোল করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। কোচ হিসেবে এর চেয়ে গর্বের আর কীই বা হতে পারে?
টানা তিন ম্যাচ জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কাছে নতুন কিছু নয়। এর আগে একাধিকবার তারা এই সাফল্যের স্বাদ পেয়েছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে।
মোহনবাগান এসজি-র বিরুদ্ধে তিন গোলে হারা ম্যাচে যে ভাবে প্রায় আত্মসমর্পণ করেছিল মহমেডান এসসি, শনিবার ঘরের মাঠে ফের সে ভাবেই হারল তারা।
প্রথম মরসুম হলেও শুরু থেকেই আইএসএল-এ নজর কেড়েছে কলকাতার তৃতীয় প্রধান মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে সাফল্যের খুব কাছে গিয়ে বার বার ফিরতে হয়েছে সাদা-কালো ব্রিগেডকে।