এটাই আসলে ফুটবল। একটা, দুটো ম্যাচেই বদলে যেতে পারে ভাগ্য বা যাঁদের নিয়ে ভাবাই হয়নি তাঁরাই হয়ে উঠতে পারেন ভরসা। চলতি আইএসএল মরসুমে এই দু'য়েরই উদাহরণ ইস্টবেঙ্গল এফসি।
গত মঙ্গলবার ঘরের মাঠে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ০-২ গোলে পিছিয়ে পড়া একটা দল যে ভাবে দ্বিতীয়ার্ধে ৪-২ গোলে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল তার পর তাদের ঘিরে যে প্রত্যাশার পারদ তুঙ্গে থাকবে তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের জন্য বড় ধাক্কা তো বটেই। ২০২৪-২৫ মরসুমের আর মাঠে নামতে পারবেন না মিডফিল্ডার মালিহা তালাল। অনেক আশা নিয়েই তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছিল। এবং প্রথম থেকেই সেই ভরসার মান রেখেছেন তিনি।
এ এক অসাধারণ মুহূর্ত, স্বস্তির রাত। ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ অবশ্য বলছেন, "দ্বিতীয়ার্ধের ইস্টবেঙ্গলটাই আসলে আমরা। এই অনুশীলটাই তো রোজ করি। প্রথমার্ধটা ব্যতিক্রম ছিল।" আত্মবিশ্বাসটা আসলে একটু একটু করে তৈরি করছিলেন ভেঙে পড়া একটা দলের অন্দরে।
পঞ্জাব কোচও ম্যাচের আগের দিন মেনে নিয়েছিলেন, যে দলে অস্কার ব্রুজোঁ রয়েছেন, সেই দল যে কোনও সময়ই ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এদিন ছিল আরও একবার প্রমাণ করার পালা। আর পঞ্জাব কোচের কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। ০-২ গোলে...
অষ্টম ম্যাচে চলতি লিগের প্রথম জয় পাওয়ার পর আত্মবিশ্বাস ফিরে এলেও ইস্টবেঙ্গল শিবিরের চিন্তা এখন চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে শনিবারের অ্যাওয়ে ম্যাচ।
মরসুমের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ডুরান্ড থেকে আইএসএল, বার বার হতাশাই জুটেছে ভাগ্যে। আইএসএল ২০২৪-২৫-এ এখনও জয়ের মুখ দেখা হয়নি লাল-হলুদ ব্রিগেডের।
পারোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফেরা ও বসুন্ধরার বিরুদ্ধে তাদের দাপুটে পারফরম্যান্সই ইস্টবেঙ্গল শিবিরে নতুন করে আত্মবিশ্বাসের বারুদ জমিয়ে তোলে
শুক্রবার ভুটানে গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেজমেহ এফসিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে পরের পর্বে জায়গা করে নিল কলকাতার দল।
একটি জয়। শুক্রবার থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামের কৃত্রিম ঘাসের মাঠে একটি জয় পেলেই সরাসরি এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে পড়বে ইস্টবেঙ্গল এফসি।
