Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India
২০২৩ সালে আইপিএলের অভিযানের শুরুতেই টানা চার ম্যাচে হারল দিল্লি। আইপিএলের ইতিহাসে এটা তাদের দ্বিতীয় জঘন্য শুরু। এর আগে ২০১৩ সালে দিল্লি ক্যাপিটালস টানা ছয় ম্যাচ হেরেছিল। এই বছর সেই হারের সংখ্যাটা ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে চারে।
আইপিএলে পরপর তিন ম্যাচে হার। এমনই কোনঠাসা অবস্থা দিল্লি ক্যাপিটালসের। এই অবস্থায় ঘুরে দাড়াতে আজ মুম্বইকে হারানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ডেভিড ওয়ার্নাররা। রোহিত শর্মাদের অবস্থাও লিগে সুবিধাজনক নয়। পরপর দুই ম্যাচ হেরে তারাও মনোবল হারিয়ে ফেলেছে।
ঘরের মাঠেও জিততে পারল না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। প্রথম ব্যাট করে ২ উইকেটে ২১২ রান তুলেও বিরাট কোহলিরা হারলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে। জবাবে লোকেশ রাহুলরা তুললেন ৯ উইকেটে ২১৩ রান। 
যশ দয়ালের শেষ পাঁচ বলে পাঁচ ছক্কা। অবিশ্বাস্য ঘটনা। একেবারে রোমহর্ষক পরিস্থিতি। অবিশ্বাস্য জয় নাইটদের। আইপিএলের অন্যতম সেরা বললে ভুল হবে না। আর এর পুরো কৃতিত্বই রিঙ্কু সিংয়ের।
পঞ্জাব কিংসের প্রথম হার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে হারল তারা। শিখর ধাওয়ান একাই লড়লেন পঞ্জাবের হয়ে। সহজেই ম্যাচ জিতে নিল হায়দরাবাদ।
আইপিএলে ফের শীর্ষে রাজস্থান রয়্যালস। দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবলের শীর্ষে উঠে এল তারা। এ দিকে চেন্নাই সুপার কিংস হারিয়ে দিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। তারা উঠে এসেছে চার নম্বরে। দুই নম্বরে রয়েছে লখনউ সুপারজায়ান্ট।
হার্দিক পান্ডিয়া, কায়রন পোলার্ডরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁরা দলে নেই। তাঁদের জায়গায় একাধিক তরুণ দলে সুযোগ পেয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে সিনিয়র ব্যাটার হিসেবে রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদবদের যে দায়িত্বটা পালন করার দরকার ছিল, সেটা তাঁরা করতে পারছেন না।...
এ বার প্রতিপক্ষ গত বারের চ্যাম্পিয়ন গুজরাত টাইটান্স। আজ আমেদাবাদ থেকে ২ পয়েন্ট নিয়েই কলকাতায় ফিরতে চাইছেন নাইটরা। অন্য দিকে ঘরের মাঠে জয়ের ছন্দ অব্যাহত রাখতে চান হার্দিক পান্ডিয়ারা।
অজিঙ্ক রাহানের অভিষেক হল চেন্নাইয়ের জার্সিতে। নেমেই প্রথম ম্যাচে ২৭ বলে ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দিলেন তিনি। মুম্বইকে ৭ উইকেটে হারাল চেন্নাই।