কার্লস কুয়াদ্রাত
সুচরিতা সেন চৌধুরী, ভুবনেশ্বর: বিস্ফোরক কার্লেস কুয়াদ্রাত একহাত নিলেন ভারতীয় রেফারিংকে। প্রথম থেকেই তাঁকে রীতিমতো বিরক্ত দেখাচ্ছিল। মাঠের মধ্যেও রাগের প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। ২-১ গোলে ম্যাচ জিতেও তিনি খুশি নন। সাংবাদিক সম্মেলনে সব প্রশ্নের উত্তরেই তিনি বার বার টেনে আনলেন রেফারিং প্রসঙ্গ। প্রশ্ন তুললেন, মোহনবাগান বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচের রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়েও।
কুয়াদ্রাত বলেন, “একদল ছোট ছোট ছেলে খেলছে। সবাই জানে এই খেলার আবেগ তাঁকে পর পর হলুদ কার্ড দেখিয়ে দেব কআর্ড দেখিয়ে বের করে দেওয়া, একটা দলের গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারকে আউট করে দেওয়া এটা কী ধরণের রেফারিং।”
রেফারিং নিয়ে অভিযোগ রয়েছে শ্রীনিধি কোচেরাও। তবে হেরে গিয়েও তিনি রেফারির বিরুদ্ধে এতটা আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া দেননি। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, “এই টুর্নামেন্টে অফসাইডই আমাদের শত্রু। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ওরা অফসাইডে গোল করল আর গোল দেওয়াও হল আর ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে আমাদের গোল বাতিল করা হল অফসাইডের জন্য।”
অন্যদিকে কুয়াদ্রাত কিছুতেই প্রতিপক্ষের পেনাল্টি পাওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না। তিনি বলেন, “আমি রেফারিং নিয়ে হতাশ। এরকম রেফারিং হলে ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি হওয়া মুশকিল। জাতীয় স্তরে, এশিয়ান ফুটবলে বা ইউরোপীয় ফুটবলে কোথাও এমনটা হয় না।”
এর মধ্যেই অবশ্য উঠে এল ডার্বি প্রসঙ্গ। কলিঙ্গ সুপার কাপে পরের ম্যাচ কলকাতা ডার্বি। গোটা বাংলা তাকিয়ে সেই দিকেই। তবে কোচ যেন ডুবে রেফারিংয়েই। তাঁর মধ্যেই জানিয়ে গেলেন আলাদা কিছু নয় যেভাবে সব ম্যাচে তাঁর দল প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল খেলে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেও সেটাই খেলবে। বাকিটা তাঁর হাতে নেই। আরও একবার রেফারির দিকেই ইঙ্গিত করে গেলেন।
এদিনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম ত্রাতা হয়ে ওঠা হিজাজির মেহের প্রসঙ্গে প্রথম তাঁকে হাসতে দেখা গেল। তাঁর প্রশংসাও শোনা গেল কুয়াদ্রাতের গলায়। অন্যদিকে দারুণ মেজাজে রয়েছেন এদিনের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ। গোলের পরের সেলিব্রেশন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাসতে হাসতে বলেন, “দু’সপ্তাহ পর আমার এনগেজমেন্ট তাই ওই সেলিব্রেশন করেছি।” তার মধ্যেই প্রথমবার ডার্বি খেলা নিয়েও উত্তেজিত তিনি। জোড়া উত্তেজনার মধ্যেই এদিন দাপুটে ফুটবল খেলে গেলেন এই ডিফেন্ডার।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.co
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
