সুচরিতা সেন চৌধুরী, ভুবনেশ্বর: ভুবনেশ্বর ভারতীয় ক্রীড়ায় এই মুবূর্তে একটি বড় নাম। সব আন্তর্জাতিক, জাতীয় স্তরের খেলার জন্য ফুটবল থেকে হকি সবাই বেছে নেয় এই ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামকে। এবার সুপার কাপের আসরও বসেছে এই ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে। এতদিন পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। রেফারির প্রতি অভিযোগ ছাড়া আর তেমন কোনও সমস্যা দেখা যায়নি। তবে কলকাতা ডার্বি যে আলাদা মাত্রার ফুটবলের লড়াই তা হয়তো আগে থেকে বুঝতে পারেনি ওড়িশা পুলিশ। যে কারণে ডার্বির শুরুতেই কিছুটা হলেও তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হল ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ফ্যানদের।
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভুবনেশ্বরে ঘাঁটি গাড়তে শুরু করেছিল দুই দলের সমর্থকরা। কলকাতা থেকে বাস ভর্তি করে ম্যাচের সকালে এসে পৌঁছেছে শয়ে শয়ে সমর্থক। দুপুর থেকেই দেখা গেল স্টেডিয়ামের বাইরে একটু একটু করে ভিড় জমাতে শুরু করেন তাঁরা। অনেককে দেখা যায় মাঠে বসেই দুপুরের খাওয়া সারছেন। এই দলে রয়েছে বেশ কয়েকজন মহিলাও। পরিবার, শিশু কে নেই। তার মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধের আবহ তৈরি হল স্টেডিয়ামের তিন নম্বর গেটের বাইরে।
একদল সমর্থক স্টেডিয়ামের ভুল গেটে ঢুকে যাওয়ায় তাঁরা বাইরে বেরনোর চেষ্ট করছিলেন। অন্যদিকে একদল সমর্থক সেই গেট দিয়েই ভিতরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশ গেট বন্ধ করে দেওয়ায় দুদিকেই আটকে পড়েন সমর্থকরা। ততক্ষণে খেলা শুরুর সময় প্রায় এগিয়ে এসেছে। সকলেই উতলা হয়ে পড়েন। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বচসা। ফুটবল সমর্থকদের এমন আবেগের মুখে আগে পড়েনি ওড়িশার পুলিশ। যে কারণে সামলাতে না পেরে লাঠি চার্জ করতে শুরু করে পুলিশ। তাতে কয়েকজন আঘাত পান। কোনও মহিলা পুলিশ না থাকায় মহিলা সমর্থকরাও প্রতিবাদ করেন। সব মিলে একটা বড় সমস্যার সৃষ্টি হয় স্টেডিয়ামের গেটে। তবে শেষ পর্যন্ত সব কিছু মিটিয়ে সু্ষ্ঠভাবে গ্যালারিতে পৌঁছন সমর্থকরা।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
