পুরো দল সাফল্যের তুঙ্গে রয়েছে, তবে শান্ত ক্রিসপিন। বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি। থাইল্যান্ডে ম্যাচ জয়ের পর অলস্পোর্টইন্ডিয়া ডট কমের সঙ্গে দ্রুত কথায় যা উঠে এল—
ভারতীয় ফুটবল ফেডারশনের টেকনিকাল কমিটির চেয়ারম্যান আইএম বিজয়ন। ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও কিংবদন্তী স্ট্রাইকার বিজয়ন ও তাঁর টেকনিকাল কমিটির সদস্যদের হাতে রয়েছে পরবর্তী ভারতীয় সিনিয়র পুরুষ দলের কোচ নিয়োগের ভার।
কেউ হাসলেন, কেউ কেঁদে ভাসালেন, ম্যাচ শেষেই ছুটে গেলেন একে অপরের কাছে, জরিয়ে ধরলেন সবাই সবাইকে। এ এক অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি হল থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই স্টেডিয়ামে। ছেলেরা পারেননি, কিন্তু ক্রিপিন ছেত্রীর হাত ধরে পারল ভারতের মেয়েরা।
অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তীকে ধরে রাখল ইস্টবেঙ্গল। দুই বছরের চুক্তিতে প্রিয় দলের সঙ্গেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সৌভিক। যার ফলে ২০২৬-২৭ মরসুমের শেষ পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়ে গেল।
ডুরান্ড কমিটিকে শর্ত দিল মোহনবাগান এসজি। সেই শর্ত মানার ওপরই সবুজ মেরুনের ডুরান্ডে খেলা নির্ভর করছে।
প্রত্যাশামতোই সবুজ মেরুনে প্রত্যাবর্তন ঘটল কলকাতার ছেলে কিয়ান নাসিরি গিরির। আগেই মোহনবাগান এসজিতে তাঁর ফেরার আভাসটা জোরালোভাবেই ছিল।
মানোলো মারকোয়েজের বিদায়ের পর ভারতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ নিয়োগের কাজটা দ্রুত অথচ নিয়মমাফিক পদ্ধতি মেনেই সারতে চান ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা।
সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না মহমেডান এসসির। স্পনসর সমস্যা তো ছিলই। তার উপর প্রথমে ছিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাসন। তা বৃহস্পতিবারই উঠে গিয়েছে। কিন্তু তাতে স্বস্তি মেলেনি কলকাতার তৃতীয় প্রধানের।
গত ২ জুলাই সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের তরফে ভারতীয় সিনিয়র ফুটবল দলের কোচ হিসেবে মানোলোর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। তবে সময় নিচ্ছিল ফেডারেশন।
ডুরান্ড আয়োজন নিয়ে একটা ডামাডোলের মাঝে কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের খেলা জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে। দুই প্রধানের মধ্যে মোহনবাগান এসজি যখন ডুরান্ডে অংশগ্রহনের বিষয়টি এখনও ঝুলিয়ে রেখেছে নানা কারণ দেখিয়ে, তখন কলকাতা লিগে চুটিয়ে খেলছে তারা।
