সুচরিতা সেন চৌধুরী: একটা হার অনেক কিছু বদলে দেয়। মোহনবাগানের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হল। বরং হারার আগেই ম্যাচটা মানসিকভাবে হেরে নেমেছিল মোহনবাগান প্লেয়াররা। সেটা মেনেও নিলেন সবুজ-মেরুন কোচ হুয়ান ফেরান্দো । পাঁচ গোল হজম করাটা সহজ নয়। সঙ্গে এএফসি কাপ থেকে ছিটকে যাওয়াও। ফেরান্দো বলছেন, “ম্যাচে নামার আগে মোহনবাগানের প্লেয়াররা জেনে গিয়েছিলেন মাজিয়ার বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জিতে গিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। আর বসুন্ধরার জয় মানেই মোহনবাগানের রাস্তাটা আরও অনেক কঠিন হয়ে যাওয়া। সেটা ব্যাক অফ দ্য মাইন্ড কাজ করে গিয়েছে।”
মোহনবাগানের পরের ম্যাচ মাজিয়ার বিরুদ্ধে তাদেরই ঘরের মাঠে। সেই ম্যাচ জেতাটাও সহজ নয়. এদিন ফেরান্দো এটাও মেনে নিলেন, বসুন্ধরা ম্যাচ ঘরের মাঠে হয়েও ঘরের মাঠে খেলতে না পারাটা বড় ভূমিকা পালন করল মোহনবাগানের এএফসি কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পিছনে। তিনি বলেন, “ দুটো বসুন্ধরা ম্যাচই আমাদের হারিয়ে দিল। একটা আমাদের হোম ম্যাচ হওয়া স্বত্ত্বেও আমরা ঘরের মাঠে খেলতে পারিনি। আর আজ বসুন্ধরার জয়।”
এদিকে মোহনবাগানের রক্ষণ যে একটা আনোয়ার আলির উপর নির্ভর ছিল সেটা প্রতিদিন নতুন নতুন করে টের পাওয়া যাচ্ছে। এক ম্যাচে পাঁচ গোল হজম এবং রক্ষণের হতশ্রী চেহারাটা বেরিয়ে এসেছে সম্পূর্ণরূপে. তবে কোচ আঙুল তুলছেন, সূচির দিকে। তাঁর কথায়, “কখনও পাঁচটা ম্যাচ খেলার পর ২০ দিনের গ্যাপ আবার কখনও দুটো ম্যাচ খেলার পর। যাতে ছন্দ নষ্ট হয়। সঙ্গে বেশ কিছু প্লেয়ারের তোট তো রয়েছেই।”
এদিকে মোহনবাগানকে পাঁচ গোল দিয়ে রীতিমতো টগবগ করে ফুটছে ওড়িশা কোচ সার্জিও লোবেরা। অতি বিনয়ের সঙ্গে যদিও বলছেন, দেশের সেরা দলকে হারিয়েছি। বলছিলেন, “আমার দলে প্রত্যেকে আজকে সেরাটা দিয়েছে। দেশের সেরা দলকে পাঁচ গোলে হারিয়েছি। মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা দল। খুব গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট এসেছে।” ওড়িশার অন্যতম প্লেয়ার রয় কৃষ্ণা একটা সময় যিনি ছিলেন মোহনবাগান সমর্থকদের সব থেকে প্রিয় আজ সেই মোহনবাগানের বিরুদ্ধ এক গোলের পাশাপাশি দুটো অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। তব তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মোহনবাগান নয় তিনি তাঁর দল নিয়েই ভাবছেন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
