সাফল্যের রাস্তা খুঁজছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। গত কয়েক বছর সাফল্য ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে আড়ি থাকলেও তাঁর মধ্যস্থতায় সেই গোসা অনেকটাই কেটেছে।
এদিন মূল দলের অনুশীলনে ছুটি দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হেড কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তা বলে নিজে কোনও ছুটি নেননি তিনি। বাকি দল নিয়ে নেমে পড়েছিলেন অনুশীলনে।
তাঁর মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে যখন নাম ঘোষণা হয় তখন অনেক রকমের প্রশ্নের উত্থান হয়েছিল।
চার ম্যাচ পরে জয়ে ফেরা, তাও আবার পাঁচ গোলের ব্যবধানে। চার দিন আগেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এই জয়ের পর আত্মবিশ্বাসের স্তর হঠাৎ একলাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি শিবিরে।
নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড কোচ জুয়ান পেদ্রো সরাসরি ভাগ্যকেই দুষলেন। তাঁর মতে, যেদিন যার খারাপ যায় সেদিন কিছুই ভাল হয় না। যেমনটা সোমবার ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হল।
শনিবার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এক গোলে এগিয়ে থাকার পরও গোল খেয়ে জেতা ম্যাচ ১-১ ড্র করে ইস্টবেঙ্গল এফসি ।
দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে আবার আইএসএল ২০২৩-২৪-এ ফিরছে ইস্টবেঙ্গল। মরসুমটা ভালভাবে শুরু করলেও ইন্ডিয়ান সুপার লিগে সেই একই ব্যর্থতার মুখ দেখতে হচ্ছে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে।
আইএসএল ২০২৩-২৪-এ টানা তিন ম্যাচে হারের পরেও ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত তাঁর দলের পাশেই রয়েছেন। তাঁর মতে, তাঁর দল খারাপ খেলছে না।
মরশুম যত গড়াচ্ছে, ইস্টবেঙ্গল এফসি-র পুরনো রোগ বাড়ছে। তারা শুরুতে গোল করে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিকই। কিন্তু তার পর তা ধরে রাখতে পারছে না, বা হেরেও যাচ্ছে।
সমর্থকদের পুজোর উপহার দিতে না পেরে মনমরা ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত। শনিবার লাল-হলুদ বাহিনী ৭২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও হেরেই শহরে ফিরছে।
