তাঁর মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে যখন নাম ঘোষণা হয় তখন অনেক রকমের প্রশ্নের উত্থান হয়েছিল।
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান খেলছে কিন্তু গ্যালারি ফাঁকা এমনটা সাধারণত দেখা যায় না। কলকাতার বাইরে অন্য রাজ্যে যে সেটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
জয় দিয়ে কলিঙ্গ সুপার কাপ অভিযান শুরু করার পর এ বার সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরীক্ষা কলকাতার দুই ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল এফসি-র।
মঙ্গলবার থেকে কলিঙ্গ সুপার কাপ-এর আসর বসতে চলেছে ওডিশা এফসি-র ‘হোম’ ভুবনেশ্বরে। এই নক আউট টুর্নামেন্টে প্রতি বারের মতো এ বারেও প্রতিটি দলের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ।
রাত পোহালেই কলিঙ্গ সুপার কাপ খেলতে মাঠে নেমে পড়বে দেশের অন্যতম সেরা ফুটবল দলগুলো।
ইস্টবেঙ্গল এফসি এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট কলিঙ্গ সুপার কাপ গ্রুপ এ-র প্রথম ম্যাচে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করতে প্রস্তুত।
সাময়িক ভাবে দেশের এক নম্বর ফুটবল লিগ বন্ধ থাকছে। তাঁর মধ্যেই দল প্লেয়ার বদলের ভাবনায় দলগুলো। সেই তালিকায় রয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি-ও।
ক্লাবের ইতিহাসে ২০২৩ অবশ্যই এক তাৎপর্যপূর্ণ সাল। কার্লেস কুয়াদ্রাত ঠিক কতটা ভরসা দিতে পারলেন ইস্টবেঙ্গলকে।
২০২৪-কে বরণ করে নেওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের ২০২৩-কে লাল-হলুদ সমর্থকেরা ধন্যবাদ না দিলে, সেটা বোধহয় অন্যায়ই হবে।
শুক্রবার ঘরের মাঠে ওড়িশা এফসি-র বিরুদ্ধেও পয়েন্ট পেতে হবে, তা খুব ভাল করেই জানে স্প্যানিশ কোচ কার্লস কুয়াদ্রাতের দল। আর ওড়িশা এফসি এমন একটা দল, যাদের কাছ থেকে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়া মোটেই সোজা কাজ নয়।
