সোমবার কাজের দিন। স্কুল, কলেজ, অফিসে সপ্তাহের শুরুর দিন হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কাছে দিনটি শুধুই উৎসবের সঙ্গে আবেগে ভেসে যাওয়ার।
সন্ধে থেকেই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের আকাশে জ্বল জ্বল করছিল লালচে চাঁদ। পুরো ম্যাচে একইভাবে সেই চাঁদ সাক্ষী থেকে গেল সুপার কাপ ফাইনালের।
এ যেন একটুকরো কলকাতা ওড়িশার বুকে। ইস্টবেঙ্গল ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই আবহটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল।
রবিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ সুপার কাপ ফাইনালে ট্রফি জেতার জন্য দলের ফুটবলাররা প্রত্যেকে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিক, এমনটাই চান তিনি।
রবিবার কলিঙ্গ সুপার কাপ ফাইনালে মরশুমের দ্বিতীয় ফাইনাল খেলতে নামার আগে সতর্ক ইস্টবেঙ্গল এফসি।
কলিঙ্গ সুপার কাপ ফাইনালে পৌঁছে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওডিশা এফসি। বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বরে তাদের ঘরের মাঠ কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ১-০-য় মুম্বই সিটি এফসি-কে হারায় তারা।
লড়াইটা শুরু হয়েছিল ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে হারের পর থেকেই। কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে আট ম্যাচ পর মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের হাসি হেসেছিল ইস্টবেঙ্গল।
মরশুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল এফসি । এ বার মরশুমের মাঝামাঝি সুপার কাপের ফাইনাল থেকে একধাপ দূরে তারা।
প্রথম ডার্বি গোল। শুধু গোল নয় ডার্বিতে প্রথম জোড়া গোল। কলিঙ্গ সুপার কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই।
কলকাতার বাইরে ডার্বি মানে কিছুটা ম্যারম্যারে। কারণ দুই দলের সমর্থকরা সব সময় গ্যালারি ভরাাতে পারেন না। তবে এবারটা কিন্তু তেমন হচ্ছে না।
