সুচরিতা সেন চৌধুরী: দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকসের পা থেকে তাঁর ও দলের দ্বিতীয় গোল হতেই গ্যালারিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তাঁকে সামলাতে সামলাতে চোখ মুছছিলেন আরও এক সমর্থক। টেলিভিশনের লাইভ ক্যামেরা তখন ঘুরে গিয়েছে তাঁদের দিকেই। উত্তেজনা আর আবেগের...
টুর্নামেন্ট যাই হোক না কেন ম্যাচটা কিন্তু ডার্বি। তাই টুর্নামেন্ট জুড়ে দুই দল যাই ফুটবল খেলুক না কেন এই ম্যাচে সেই সব মোটেও প্রভাব ফেলে না।
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল এফসির মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত কলকাতা ডার্বি ম্যাচের আগে টিকিট বিতরণ এবং বিক্রয়ের বিবরণ সামনে এনেছে ডুরান্ড কাপ আয়োজক কমিটি।
ডার্বি নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। গত শনিবার গুয়াহাটিতে বসেছিল আইএসএল ২০২৪-২৫ মরসুমের ফিরতি ডার্বির আসর। প্রথম ডার্বি যেতে নিয়েছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ডার্বিও জিতে নেয় মোহনবাগান। খেলার ফল ১-০।
কোচেরা যতই আবেগকে নিয়ন্ত্রণের কথা বলুন না কেন, কলকাতা ডার্বি খেলার যে উন্মাদনা ছুঁয়ে গিয়েছে তাঁদেরও তা ফুটবলারদের কথায় স্পষ্ট।
লক্ষ্য ছিল সন্তোষ ট্রফি ফাইনালে খেলতে যাওয়া বাংলা ফুটবল দলকে শুভেচ্ছা জানানো। কিন্তু সামনে যখন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তখন ডার্বি প্রসঙ্গ যে উঠে আসবে তার নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না।
ইস্টবেঙ্গলের কার্লেস কুয়াদ্রাত পরবর্তী কোচ কে হবেন তা নিয়ে ছিল জোড় জল্পনা। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্লাবের পক্ষ থেকে না জানালেও বোঝাই গিয়েছিল লাল-হলুদের ককোচের দৌঁড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ।
এই ডার্বি ছিল বিতর্কের। শুরু থেকে আইএসএল ২০২৩-২৪-এর ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে ক্লাব, পুলিশ, প্রশাসন সকলেই গত দু’সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর আলোচনায় কাটিয়েছে।
আইএসএল ২০২৩-২৪-র ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল প্রায় অথবা ভিনরাজ্যে চলে যাওয়ার।
একবাক্যে মেনে নিলেন আত্মবিশ্বাসী কার্লেস কুয়াদ্রাত। মোহনবাগানের থেকে যে পারফর্মেন্সের বিচারে তাঁরা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন সেটা ডার্বির আগের দিন সাংবাদিকদের সামনে স্বীকার কর নিলেন।
