১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপ ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। সেদিন ম্যাচের ফল হয়েছিল ২-১। জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। এবার কার?
ডিয়ার কার্লেস কুয়াদ্রাত স্যর,
হ্যাঁ আপনাকে ডিয়ার বলছি। আমরা জাতে বাঙাল। বড্ড সহজে আমরা অচেনা মানুষকে ডিয়ার বানিয়ে ফেলি। আজকের পর থেকে আপনিও আমাদের ডিয়ার ফ্রেন্ড।
শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গল এফসির। সাড়ে চার বছর পর মোহনবাগানকে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের হিসেব করা সম্ভব নয়।
তবে আপাতত ডুরান্ড কাপে কলকাতা ডার্বি-র মালিক ইস্টবেঙ্গল। দুই স্প্যানিশ কোচের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন কুয়াদ্রাত। ম্যাচ জিতে তিনি খুশি। তবে আপ্লুত হতে নারাজ।
কলকাতা ডার্বি-র মুড কিছুটা হতাশ করেছিল ঠিকই কিন্তু সময় যত গড়াল গ্যালারি সমর্থক সমৃদ্ধ হয়ে উঠল কিন্তু চিরচেনা ডার্বির গ্যালারি এদিন অধরাই থাকল পুরো ৯০ মিনিট।
কলকাতা ডার্বি-র দু’দিন আগে থেকে দুই ক্লাবের বাইরে টিকিটের জন্য যে হাহাকার দেখা দিয়েছিল তার সিকিভাগ প্রভাবও দেখা গেল না শনিবাসরীয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।
শনিবার আবার কলকাতা ডার্বি । যে জন্য গোটা কলকাতা, তথা গোটা বাংলা ফের দ্বিখণ্ডিত। শনিবার বিকেলে সারা শহরের সব পথ গিয়ে মিশবে একই গন্তব্যে।
লড়াইটা আসলে ৯০ মিনিটের। তার বাইরে কেউ বন্ধু, কেউ প্রশংসক আবার কেউ শুধুই প্রতিপক্ষ। তবে কলকাতা ডার্বি সব সময়ই ভারতীয় ফুটবলকে নতুন কিছু শিখিয়ে যায়।
