Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
আইএসএল ২০২৪-২৫-এর দ্বিতীয় ডার্বি খেলতে নামার আগে লিগ টেবলের দিকে তাকালে দেখা যাবে এই ডার্বি একের সঙ্গে ১১-র লড়াই। এক কথায় অসম লড়াই তো বটেই। তবে মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে কোনও হিসেব চলে না।
আইএসএল ২০২৪-২৫-এর দ্বিতীয় ডার্বির ভেন্যু ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চলা রহস্য কেটেছে ম্যাচের ৭২ ঘণ্টা আগে। এই ম্যাচের আয়োজক মোহনবাগান। গঙ্গাসাগরের জন্য খেলা হবে না ঘরের মাঠে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ চলে গেল গুয়াহাটি।
ডার্বির আগে ঘরের মাঠে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের জন্য এই মরসুমের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ তো ছিল, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। তবে সেই ম্যাচে যেভাবে শুরু করল তা দেখে ডার্বির আগে হতাশা ছাড়া আর কিছুই...
শুক্রবার মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব আইএসএল ২০২৪-২৫ মরসুমের ১৪তম ম্যাচে গুয়াহাটি স্টেডিয়ামে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে বছর শুরু করল। হারতে থাকা একটা দলের কাছে এই ম্যাচ সহজ ছিল না যখন নর্থইস্ট ইউনাইটেড ভাল ফর্মে রয়েছে।
আগামী ১১ জানুয়ারি চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের দ্বিতীয় বড় ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবারের জয় মোহনবাগানকে বাড়তি অক্সিজেন জোগালেও ইস্টবেঙ্গল যে ভাবে ক্রমশ ছন্দে ফিরছে, তাতে ডার্বিতে তাদের লড়াই কঠিন হবে বলে মনে করেন লিস্টন।
বছরের দ্বিতীয় দিনই আইএসএল-এ ঘরের মাঠে খেলতে নামছে মোহনবাগান। তার আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে ফুরফুরে মেজাজে পাওয়া গেল দলের কোচ প্লেয়ারদের। নতুন বছরে নতুন করে নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত দল।
লক্ষ্য ছিল সন্তোষ ট্রফি ফাইনালে খেলতে যাওয়া বাংলা ফুটবল দলকে শুভেচ্ছা জানানো। কিন্তু সামনে যখন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তখন ডার্বি প্রসঙ্গ যে উঠে আসবে তার নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না।
হায়দরাবাদ এফসি শেষ মুহূর্তের গোলে তাদের তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ায় হতাশ ইস্টবেঙ্গল এফসি-র হেড কোচ অস্কার ব্রুজোন। তবে এই ফলের মধ্যেও ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন তিনি।
হায়দরাবাদের গাচিবৌলি স্টেডিয়ামের লাল-নীল ফাঁকা গ্যালারির এক কোণা থেকে মাঝে মাঝেই হুঙ্কার উঠল “এইচএফসি, এইচএফসি”। অতীতে ভারতীয় ফুটবলে হায়দরাবাদের একটা অবদান ছিল। তার পর তা কমতে কমতে শূন্য হয়ে যায় প্রায়।
দেওয়ালে পিঠ ঠেকেই রয়েছে দলটার। প্রতিভা নেই এমনটাও নয়। কোচ চেরনিশভও চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেননি। অভিষেক মরসুমের শুরু থেকেই কঠিন প্রতপক্ষদের রীতিমতো বেগ দিয়েছে কলকাতার তৃতীয় প্রধান। কিন্তু সব কিছু করেও আশানুরূপ ফল পায়নি মহমেডান এসসি।