অলস্পোর্ট ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততেই আরও একটা ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের মঞ্চ তৈরি হয়ে গেল। সূচিতেই এই মঞ্চ তৈরি ছিল। তবে নির্ভর করছিল, দুই দলের পারফর্মেন্সের উপর। তবে পারফর্মেন্স যাই হোক না কেন, মাঠের বাইরের খেলায় জমে গেল এশিয়া কাপ ২০২৫-এর পরিবেশ। তার আগে অবশ্য হ্যান্ডসেক বিতর্কের প্রতিবাদ করে এশিয়া কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান। তার পর কী শর্তে তারা আবার খেললেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে দেখা গেল পাকিস্তানও থাকল, থাকলেন আম্পায়ার পাইক্রফ্টও। যাঁকে নিয়ে পাকিস্তান বোর্ড থেকে দল সবার এত সমস্যা। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আয়োজক দেশ আমিরশাহীকে হারিয়ে সুপার ফোরেও পৌঁছে গেল পাকিস্তান। ভারত আগেই পৌঁছে গিয়েছিল। প্রত্যাশা মতোই আবারও দুই দল মুখোমুখি হবে এশিয়া কাপের মঞ্চে।
বুধবার সলমন আঘার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ৪১ রানে জয় তুলে নেয়। ম্যাচটি এক ঘন্টা দেরিতে শুরু হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ম্যাচে হারের পর এই জয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল পাকিস্তানের জন্য। সঙ্গে ছিল একগুচ্ছ অসম্মান আর বিতর্ক। টসের সময় দুই দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও সলমন আলি আঘা একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করেননি। এর পর ম্যাচ শেষেও দেখা যায় ভারতের দুই ব্যাটার নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বলতেই মাঠ ছাড়েন পাক প্লেয়ারদের দিকে না তাকিয়েই। বিতর্কের শুরু তার পর থেকেই। জানা যায়, টসের সময় বিতর্ক তৈরি হয়নি কারণ ম্যাচ রেফারি আগাম জানিয়ে দিয়েছিলেন, হ্যান্ডশেক হবে না। কিন্তু ম্যাচের শেষেও যে হবে না তা বলা হয়নি। আর তাতেই চটে যায় পাকিস্তান। এবং শেষ পর্যন্ত শোনা যায় ক্ষমা চেয়েছেন পাইক্রফ্ট। তাই মধুরেণ সমাপয়েৎ।
এদিন পাকিস্তান বনাম সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ম্যাচের কথা বলতে গেলে, ফখর জামান ৩৬ বলে ৫০ রান করেন এবং শাহীন আফ্রিদি ১৪ বলে অপরাজিত ২৯ রান করেন। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান করে। আমিরশাহীর হয়ে জুনায়েদ সিদ্দিক ১৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলিং পারফর্মেন্স দেন। কিন্তু জবাবে ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। শাহীন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ এবং আবরার আহমেদ দু’টি করে উইকেট নেন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
