সুচরিতা সেন চৌধুরী, ভুবনেশ্বর: কয়েক ঘণ্টা আগেই শেষ হয়েছে ইস্টবেঙ্গল বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচ। সেই ম্যাচ ৩-২ গোলে ইস্টবেঙ্গল জিতে নিলেও সেই জয় যতটা সহজ হবে বলে ভাবা হয়েছিল ততটা সহজ হয়নি। যদিও তিন পয়েন্ট পেয়ে খুশি হয়েছেন বলেই জানিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এর পর ইস্টবেঙ্গলকে খেলতে হবে শ্রীনিধি ডেকানের বিরুদ্ধে। তার পরের ম্যাচ ডার্বি। এক সঙ্গে দুই দলকে মেপে নেওয়ার সুযোগ থাকলে কোন কোচই বা তা হাতছাড়া করবেন। কার্লেস কুয়াদ্রাতও সেই পথেই হাঁটলেন।
এলগাদোকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে গেলেন কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের মূল স্টেডিয়ামে। এদিন দুপুরে ইস্টবেঙ্গলকে খেলতে হয়েছিল পিচ ওয়ানে। ওটা মূলত অনুশীলন গ্রাউন্ড। যদিও কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের অনুশীলন গ্রাউন্ডও এতটাই উন্নতমানের যে সেখানে পেশাদার ফুটবল প্রতিযোগিতা সহজেই করা যেতে পারে। এক মাঠে পর পর দুটো ম্যাচ খেলা হলে মাঠের ক্ষতি হতে পারে ভেবেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত। পরের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে খেলতে হবে মূল স্টেডিয়ামে।
এদিন পোস্ট ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে কুয়াদ্রাতকে ডেকান কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রশ্ন করা হে তিনি কোনওভাবেই মোহনবাগানকে সহজ প্রতিপক্ষ মানতে রাজি হননি। বরং তুলনামূলকভাবে দুর্বল প্রতিক্ষের বিরুদ্ধে কিছুটা কষ্টার্জিত জয়ের পর দুই জুজুধান দলের ম্যাচ দেখে নিজেদের দলকে আরও একটু গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা নিশ্চই করবেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। যে ইনটেনসিটি আর গতির ফুটবল এদিন মোহনবাগান ও শ্রীনিধি দেখাল তাতে ইস্টবেঙ্গলের যে ভাবতে হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সঙ্গে প্রথমার্ধে চাপে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ম্যাচের দখল নেওয়াও ডার্বির আগে ভাঙা মোহনবাগানকে নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।
মোহনবাগান বনাম শ্রীনিধির মধ্যে পুরো ম্যাচ গ্যালারিতে বসেই দেখলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। বিরতিতে কুয়াদ্রাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গেলেন ওড়িশা এফসি কোচ সার্জিও লোবেরা। ইস্টবেঙ্গল-হায়দরাবাদ ম্যাচও তিনি দেখে গিয়েছেন। সুপার কাপে এক গ্রুপে না থাকলেও নক-আউটে দেখা হতেই পারে এই গ্রুপের দলের সঙ্গে। তা ছাড়া আইএসএল-এ কলকাতার দল আর ওড়িশার লড়াইটা তো এই মরসুমে বেশ উত্তেজক হয়ে উঠেছে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
