Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক:  ফ্রান্সের প্যারিসে আসন্ন গ্রীষ্মকালীন গেমসে অলিম্পিকে অভিষেক হবে ভারতের কিশোরী সাঁতার সেনসেশন ধীনিধি দেশিংহুর। প্যারিস অলিম্পিকের আগে, ধিনিধি তাঁর উত্থানের কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এবং কীভাবে তাঁর জলে নামতে  পছন্দ না  করা থেকে সাঁতারু হয়ে ওঠা সেই গল্প শুনিয়েছেন। সেই জলকে ভয় পাওয়া ধীনিধির ২০২৪ অলিম্পিকে প্রতিযোগী হয়ে ওঠা রূপ কথার মতো। ১৪ বছর বয়সী মহিলা সর্বজনীনতা কোটায় ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করে নেন। ধীনিধি আরও জানিয়েছেন যে তাঁর বাবা-মা তাঁকে একটি খেলার সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন এবং সাঁতার ছিল সব থেকে সহজ পছন্দ, কারণ তাদের বাড়ির পাশেই একটি পুল ছিল।

“কিন্তু আমি জল পছন্দ করতাম না, আমি নামতে চাইনি। আমি পুলে পা দিতে পারতাম না, আমি জলে ডুব দিতে চাইতাম না। এটি একটি লড়াই ছিল। তখন আমার বয়স ছয়। পরের বছর যখন আমি ফিরে আসি, তখনও আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম,” ধীনিধি এক সাক্ষাৎকারে বলেন।

“আসলে, আমি সাঁতার শেখার আগে, আমার বাবা-মা সাঁতার শেখে। তারা আমাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করানোর জন্য পুলে নেমেছিল এবং এভাবেই সবকিছু শুরু হয়।’’

ধীনিধি বেঙ্গালুরুতে ডলফিন অ্যাকোয়াটিক্সে প্রশিক্ষণ নেন। তিনি যখন সাঁতার শুরু করেন তখন তার প্রাথমিক শর্তগুলির সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না। “আমি স্ট্রোক জানতাম… ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক, এবং (বাটার) ফ্লাই। কিন্তু আমি শুধু এটুকুই জানতাম। এখানে সব বাচ্চা ছিল যাদের বয়স ১৩-এর কাছাকাছি। এবং সেখানে আমার মতো একজন ছিল, মাত্র নয় বছর বয়সী। আমি সাহায্য চাইতে ভয় পেতাম।কী করব জানতাম না, “তিনি যোগ করেছেন।

ধীনিধির মা জেসিথাও তার মেয়ের মাত্র আট বছর বয়সে একটি ঘটনার কথা ভাগ করে নিয়েছেন এবং সেই ঘটনা কীভাবে তার ভয় কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। ‘‘আমি জানতাম ওর প্রতিভা আছে। ও পুলে খুব ভাল করে। কিন্তু প্রতিযোগিতার সময় চাপে থাকে। হয় সে আগের দিন জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়বে অথবা ইভেন্টের জন্য পুলে যাওয়ার সময় সে বমি করবে।”

ধীনিধি বর্তমানে মহিলাদের ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে জাতীয় রেকর্ডের অধিকারী। আন্তর্জাতিক এক্সপোজারের পরিপ্রেক্ষিতে, তিনি ২০২২ হ্যাংঝৌ এশিয়ান গেমসে ছিলেন।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *