সুচরিতা সেন চৌধুরী: দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকসের পা থেকে তাঁর ও দলের দ্বিতীয় গোল হতেই গ্যালারিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তাঁকে সামলাতে সামলাতে চোখ মুছছিলেন আরও এক সমর্থক। টেলিভিশনের লাইভ ক্যামেরা তখন ঘুরে গিয়েছে তাঁদের দিকেই। উত্তেজনা আর আবেগের...
টুর্নামেন্ট যাই হোক না কেন ম্যাচটা কিন্তু ডার্বি। তাই টুর্নামেন্ট জুড়ে দুই দল যাই ফুটবল খেলুক না কেন এই ম্যাচে সেই সব মোটেও প্রভাব ফেলে না।
শনিবার রাতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে জোড়া গোলে হারানোর আনন্দে যেমন খুশি মোহনবাগান সমর্থকেরা তেমনই খুশি সবুজ-মেরুন বাহিনীর স্প্যানিশ কোচ হোসে মোলিনাও।
ভোররাতে শহরে পৌঁছেই বসে পড়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচের হটসিটে, তাও আবার ডার্বির আসরে। ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগান ম্যাচ মানেই টান টান উত্তেজনা।
মাঝে আর মাত্র এক দিন। তার পরেই এ মরশুমে প্রথম মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এফসি ও মোহনবাগান এসজি।
বাঙালির আবেগ, বাঙালির আনন্দ, বাঙালির বেঁচে থাকার সব থেকে বড় উপাদান ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান। আর এই দু‘য়ের লড়াইকে ঘিরেই বার বার উত্তাল হয়েছে ভারতীয় ফুটবল।
কলকাতা ডার্বির শততম বছর হতাশার নজির তৈরি করল। কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান মুখোমুখি হবে আর গ্যালারি এভাবে ফাঁকা থাকবে তা হয়তো অতি বড় বোদ্ধাও বুঝে উঠতে পারেননি।
মাঝে মাত্র একটা দিন, তাঁর পরই মরসুমের প্রথম ডার্বি। কিন্তু তা নিয়ে না আছে কোনও উত্তেজনা না আগ্ৰহ।
এই ডার্বি ছিল বিতর্কের। শুরু থেকে আইএসএল ২০২৩-২৪-এর ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে ক্লাব, পুলিশ, প্রশাসন সকলেই গত দু’সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর আলোচনায় কাটিয়েছে।
আইএসএল ২০২৩-২৪-র ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল প্রায় অথবা ভিনরাজ্যে চলে যাওয়ার।
