ডুরান্ড কাপ জয়ের মাধ্যমে মরসুমের প্রথম লক্ষ্য পূরণ হল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। এ বার পরবর্তী লক্ষ্য এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের গণ্ডী পেরনো।
ডুরান্ড কাপ ২০২৩ চ্যাম্পিয়নও হয়ে গেল মোহনবাগান। মরসুমের প্রথম ট্রফি নিয়ে এএফসি কাপে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নামবে হুয়ান ফেরান্দোর দল।
গত ১২ অগস্ট ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। যে ম্যাচে দীর্ঘদিন পর ডার্বি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এ বার বার রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ সেমিফাইনাল, যেখানে এফসি গোয়ার মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান— সেই ম্যাচ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
২০০৪-এ শেষ ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। ১৯ বছর পর আবার ফাইনালে ডার্বি ম্যাচের সাক্ষী থাকতে চলেছে ফুটবল প্রেমিরা। রবিবার আইকনিক যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে ডুরান্ড কাপ ২০২৩ ফাইনাল ম্যাচ।
দলবদলের বাজারে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানে এই মরসুমে বেশ কয়েকজন নতুন মুখ যোগ দিয়েছেন। কেউ বিদেশী আবার কেউ স্বদেশী। তাঁরাই এবার বাজিমাত করছেন।
১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপ ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। সেদিন ম্যাচের ফল হয়েছিল ২-১। জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। এবার কার?
মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে স্মরণীয় জয় পেলেও একেবারেই আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। এফসি গোয়ার খেলতে নামার আগে বাড়তি সতর্কতা দলের অন্দরে।
নিভতে থাকা প্রদীপটা যে এভাবে জ্বলে উঠবে তা কে ভেবেছিল। কিন্তু কথায় আছে ফুটবলের শেষ মিনিট পর্যন্ত কিছুই বলা যায় না। তা আরও একবার প্রমান করে দিল ডুরান্ড কাপ ২০২৩।
চার বছর আগে, ২০১৯-এ গোকুলাম কেরালা এফসি-র কাছে টাই ব্রেকারে হেরে ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ।
