শহর থেকে দূরে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মাঠে নিয়মিত অনুশীলন করে ইস্টবেঙ্গল। ইট, কাঠ, পাথুরে শহুরে আবহাওয়া থেকে কিছুটা যেন প্রকৃতির মাঝেই দলকে নিয়ে এই মরসুমের প্রস্তুতি সারা। সব সময় সংবাদ মাধ্যম সেখানে গিয়েও পৌঁছতে পারে না।
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল এফসির মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত কলকাতা ডার্বি ম্যাচের আগে টিকিট বিতরণ এবং বিক্রয়ের বিবরণ সামনে এনেছে ডুরান্ড কাপ আয়োজক কমিটি।
যেখানে নামধারী দুই ম্যাচ জিতে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। সেখানে শেষ হাসি হাসল ইস্টবেঙ্গলই। ১-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলল ইস্টবেঙ্গল।
দ্বিতীয় বছরে পড়ল ইস্টবেঙ্গলে অস্কার ব্রুজোঁ যুগ। ডুরান্ড কাপকে মাথায় রেখেই দ্রুত অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। দলে ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছেন সব বিদেশিরাও। সবাই প্রস্তুত ডুরান্ড থেকেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে সাফল্য এনে দিতে।
প্রথমার্ধেই সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হল মোহনবাগানের মিডিও আপুইয়াকে। ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা মোহনবাগানের জন্য যা স্বাভাবিকভাবেই বড় ধাক্কা তো বটেই। যার ফল হাতে নাতে পেল দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই।
রাত পোহালেই ডুরান্ড কাপের প্রথম খেলতে নামবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। প্রতিপক্ষ কলকাতা ফুটবলের আর এক প্রধান মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তার আগে রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সিলেন্সের মাঠে ম্যাচের প্রস্তুতি সেরে নিল বাস্তব রায়ের মোহনবাগান।
ডুরান্ড কাপ মানেই কলকাতায় টিকিট নিয়ে সমস্যা ক্লাবগুলোতে। গত মরসুমে তো সমস্যা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে মাঠে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলকাতার ক্লাব কর্তারা।
১৩৪তম ডুরান্ড কাপ ২০২৫-এর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল বৃহস্পতিবার। প্রতিবারের মতোই ফোর্ট উইলিয়ামে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে ঘোষণা হয়ে গেল আর্মি আয়োজিত বর্ষ প্রাচীন ফুটবল টুর্নামেন্টের।
