ডুরান্ড কাপ ফাইনালে পৌঁছেও শেষরক্ষা হল না। কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর আর সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল ডায়মন্ড হারবার।
এবার যে ডুরান্ড কাপের পুরস্কারে মূল্য অনেকটাই বাড়ছে তা আগেই জানিয়েছিল আয়োজকরা। সেই মতো ডুরান্ড কাপ ২০২৫ ফাইনাল শেষে মঞ্চে দেখা গেল তারই প্রদর্শনী। ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সাইড লাইনে সাজানো ছিল তিনটি গাড়ি।
শনিবার যুবভারতীর গ্যালারি বলছিল, তৈরি কলকাতা ফুটবলের চতুর্থ প্রধান। কে বলতে পারে এর পর উত্থান হয়ে জায়গা বদল হয়ে যাবে না অদূর ভবিষ্যতে!
আর মাত্র একটা ম্যাচ। তার পরই ডুরান্ড কাপ শেষের ঘণ্টা বেজে যাবে ভারতীয় ফুটবল মরসুমে। এবার অনেক টানাপড়েনের মধ্যেই শুরু হয়েছে ফুটবল মরসুম।
দুই দলের একটি করে গোলের শট ক্রসপিসে লেগে ফিরল। একাধিকবার বাধা হল পোস্টও। বাকিটা ফিনিশিংয়ের অভাবে ভুগল দুই দলই। বরং তুল্যমূল্য হিসেবে ইস্টবেঙ্গলকে রীতিমতো চাপে রাখল ডায়মন্ড হারবার।
রাত পোহালেই ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল। ইস্টবেঙ্গলের পতিপক্ষ ডায়মন্ড হারবার। একদিকে অস্কার ব্রুজোঁ তো অন্যদিকে কিবু ভিকুনা। দুই অভিজ্ঞ কোচের ট্যাকটিক্সের লড়াই বুধবার দেখা যাবে ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনালে।
সুচরিতা সেন চৌধুরী: দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকসের পা থেকে তাঁর ও দলের দ্বিতীয় গোল হতেই গ্যালারিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। তাঁকে সামলাতে সামলাতে চোখ মুছছিলেন আরও এক সমর্থক। টেলিভিশনের লাইভ ক্যামেরা তখন ঘুরে গিয়েছে তাঁদের দিকেই। উত্তেজনা আর আবেগের...
টুর্নামেন্ট যাই হোক না কেন ম্যাচটা কিন্তু ডার্বি। তাই টুর্নামেন্ট জুড়ে দুই দল যাই ফুটবল খেলুক না কেন এই ম্যাচে সেই সব মোটেও প্রভাব ফেলে না।
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে ক্রমশ কমছে বাঙালি। দুই দলেই নিয়মিত খেলা বাঙালির সংখ্যা এক। মোহনবাগানের শুভাশিস বোস হলে ইস্টবেঙ্গলের সৌভিক চক্রবর্তী। দু’জনেই অনেকেই ডার্বির সাক্ষী। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে হয়ে ওঠা সৌভিক তাই এই ডার্বির আবেগটা বোঝেন।
শহর থেকে দূরে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মাঠে নিয়মিত অনুশীলন করে ইস্টবেঙ্গল। ইট, কাঠ, পাথুরে শহুরে আবহাওয়া থেকে কিছুটা যেন প্রকৃতির মাঝেই দলকে নিয়ে এই মরসুমের প্রস্তুতি সারা। সব সময় সংবাদ মাধ্যম সেখানে গিয়েও পৌঁছতে পারে না।
