বাংলার কনিষ্ঠতম গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ্তায়ন ঘোষ । মাঝে গ্রাস করেছিল অনিশ্চয়তা। সে কারণে মন দিয়েছিলেন পড়াশোনায়।
খেলতে খেলতেই দাবায় চলে আসা। তার মধ্যে ছিল বিদেশ ঘোরার স্বপ্নও। তা বলে সপ্তর্ষি রায়চৌধুরী দাবা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া থেমে যায়নি।
পেশাদার দাবায় একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। যে ‘অ্যালেখাইন চেজ ক্লাব’-এ হাতেখড়ি, সেই ক্লাবেই এখন তিনি কোচ। নিজের ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা নীলোৎপল দাস তাই ছড়িয়ে দিতে চান আগামী প্রজন্মের মধ্যে।
দাবা অনেক কিছু দিয়েছে। দাবাই ভালবাসা। কিন্তু তাকে কেরিয়ার হিসেবে নিতে নারাজ কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায় । তাই বেছে নিয়েছেন পড়াশোনাকেই। সঙ্গে চলবে দাবাও।
সমর্থন না পাওয়ার হতাশাকে সঙ্গে নিয়েই স্বপ্ন দেখছেন দাবাকে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার। এবার কি কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে? প্রশ্ন গ্র্যান্ডমাস্টার মিত্রাভ গুহর?
