সুচরিতা সেন চৌধুরী: প্রিয় দাদুর মৃত্যুর খবরটা বৃহস্পতিবার রাতেই এসেছিল। কিন্তু খেলা ছেড়ে বাড়িতে ফিরে যাওয়ার কথা একবারও ভাবেননি। আর শুক্রবার টাটা স্টিল কলকাতা দাবা ২০২৬-এর র্যাপিড রাউন্ড জিতে সেই দাদুকেই শ্রদ্ধাঞ্জলী দিলেন নিহাল সারিন। ভারতের এই তারকা গ্র্যান্ডমাস্টার...
ভারতীয় চেস গ্রেট বিশ্বনাথন আনন্দ রাশিয়ান কিংবদন্তি গ্যারি কাসপারভের সঙ্গে তাঁর প্রতীকী প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুনরুজ্জীবিত করবেন, অন্যদিকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশ অক্টোবরে মুখোমুখি হবে কার্লসেনের।
দাবা জগতের একজন কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ, ভারতের অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তাঁর খেলায় স্টাইলের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছেন কারণ এই ক্রিকেটার একটি দাবা ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিকানা নিয়েছেন।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ আবারও নিজেকে প্রমান করলেন এবং ফাইনালে স্প্যানিশ জাইমে সান্তোস লাতাসাকে ৩-১-এ পরাজিত করে স্পেনের লিওনে দশমবারের মতো লিয়ঁ মাস্টার্স জিতে নিলেন।
ক্যান্ডিডেটস দাবা টুর্নামেন্টে একসঙ্গে খেলছেন ভারতের পাঁচ জন। এই প্রথম এতবড় সাফল্যের সামনে দাঁড়িয়ে ভারতীয় দাবা।
তিনি বিশ্বনাথন আনন্দ । তিনি ভারত তথা বিশ্ব দাবার অন্যতম নাম। সেই আনন্দ কি তাহলে এবার অন্য খেলা বেছে নিতে চলেছেন?
তিনি বিশ্বনাথন আনন্দ । বিশ্ব দাবার অন্যতম বড় নাম। ভারতীয় দাবার তো বটেই। দাবা খেলাকে ভারতের মাটিতে পরিচিতি এনে দিয়েছিলেন তিনি।
তার কেরিয়ারে এই প্রথম বিশ্বনাথন আনন্দকে ছাঁপিয়ে গেলেন গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানান্ধা । তাঁকে পেছনে ফেলে ভারতের শীর্ষস্থানীয় পুরুষ দাবা খেলোয়াড় হয়ে গেলেন তিনি।
৩৭ বছর একটানা ভারতের সেরা গ্র্যান্ড মাস্টার ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। এবার তাঁকে পিছনে ফেলে সেরা ভারতীয় দাবাড়ুর তালিকার শীর্ষস্থানে উঠে এলেন ১৭ বছর বয়সী ডি গুকেশ
সুপার ইউনাইটেড র্যাপিড অ্যান্ড ব্লিৎজ ক্রোয়েশিয়া ২০২৩-এর তৃতীয় দিনে জিএম গুকেশ ডি তাঁর মেন্টর জিএম বিশ্বনাথন আনন্দকে পরাজিত করলেন।
