মরশুমের প্রথম জয়ের মুখ দেখেছে মহমেডান, বৃহস্পতিবার ডুরান্ড কাপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে বিএসএফকে ৩ গোলে হারিয়ে। একইগ্রুপে মোহনবাগান এসজি ও ডায়মন্ড হারবার এফসির কাছে হারলেও সাদা কালো ব্রিগেডের নবীন ফুটবলারদের লড়াই নজর কেড়েছে। তবে সেটা যথেষ্ট ছিল না ডুরান্ডের...
প্রায় ৫৫ মিনিটের কাছাকাছি ১০ জনে খেলে মহমেডানের বিরুদ্ধে ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে ৩-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টাফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। এর মধ্যে দুটি গোল লিস্টন কোলাসোর, একটি সুহেল বাটের। সবুজ মেরুনের এই সাফল্যকে কোনও...
আইএসএল কবে শুরু হবে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোনটা দেশের এক নম্বর লিগ হিসেবে গণ্য হবে, সেটা ঘিরে যেমন ফুটবল মহলে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তেমন একটা বড় প্রশ্নচিহ্নর মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে কলকাতার মহমেডান স্পোর্টং ক্লাবকে।
সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না মহমেডান এসসির। স্পনসর সমস্যা তো ছিলই। তার উপর প্রথমে ছিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাসন। তা বৃহস্পতিবারই উঠে গিয়েছে। কিন্তু তাতে স্বস্তি মেলেনি কলকাতার তৃতীয় প্রধানের।
মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের প্রধান কোচ আন্দ্রে চের্নিশভের বিদায়ের ঘোষণা করে দিল ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ক্লাবের ইতিহাসে অসাধারণ এক অধ্যায়ের সূচনা করে দিয়েছিলেন তিনি।
এই একটা জায়গায় রীতিমতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করছে কলকাতার তিন প্রধান। যেখানে এক নম্বরে মোহনবাগান থাকলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছে মহমেডান ও ইস্টবেঙ্গল।
প্রতিপক্ষ মহমেডান এসসি লিগ টেবলের সর্বশেষ স্থানে থাকলেও তাদের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল মোহনবাগান এসজি-র কোচ হোসে মোলিনা। শুক্রবার তিনি সাংবাদিদকদের বলেন, সাদা-কালো ব্রিগেডের খেলোয়াড়দের চারিত্রিক দৃঢ়তার জন্যই দলটিকে সমীহ করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়ালেন মহমেডানের হেড কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পদত্যাগ নিয়ে দীর্ঘ বার্তা পোস্ট করলেন তিনি। তিন মাস ধরে মাইনে পায়নি দলের কোচ ফুটবলাররা।
মহমেডানের সমস্যা আরও বাড়ল। এতদিন আগুনটা ধিকিধিকি জ্বলছিল কিন্তু মঙ্গলবার বিস্ফোরণটা ঘটাল ক্লাবের স্পনসর শ্রাচী গ্ৰুপ। জানিয়ে দেওয়া হল, তারা প্লেয়ারদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই কাজ করতে চেয়েছিল কিন্তু ক্লাব এবং মূল বিনিয়োগকারী সংস্থা তাদের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।...
আইএসএ ২০২৪-২৫-এর এই ম্যাচ ঘিরে যতটা আগ্রহ ছিল মহমেডান সমর্থকদের তার থেকে নিশ্চিত অনেকবেশি তাকিয়ে ছিলেন মোহনবাগান সমর্থকরা। যদিও এই ম্যাচ শেষেই ভারতীয় ফুটবলের সব থেকে বড় ম্যাচে নামতে চলেছিল ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান।
