এবার যে রকম শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল, গত মরশুমেও অনেকটা এ রকমই সূচনা করেছিল তারা। এ বার যেমন প্রথম আট ম্যাচের পর দু’টি জয় ও তিনটি ড্র-সহ ৯ পয়েন্ট রয়েছে তাঁর।
মরশুমের শুরুটা দুর্দান্ত হলেও গত পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জিততে পেরেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। যদিও আইএসএলে তারা এখন পর্যন্ত অপরাজিত।
হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট সারিয়ে নিজেকে ক্রমশ সুস্থ করে তুলছেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের তারকা ফরোয়ার্ড দিমিত্রিয়স পেট্রাটস ।
পাঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট না পেতে পারলেও আফসোস নেই ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ কার্লস কুয়াদ্রাতের।
প্রথমার্ধের শুরুটা কিন্তু করে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলই। কিন্তু গোলের সামনে গিয়ে বার বার খেই হারাল বোরহা, ক্লেটনরা।
চার ম্যাচ পরে জয়ে ফেরা, তাও আবার পাঁচ গোলের ব্যবধানে। চার দিন আগেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এই জয়ের পর আত্মবিশ্বাসের স্তর হঠাৎ একলাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি শিবিরে।
এএফসি কাপ এখন অতীত মোহনবাগানের জন্য। যদিও মরসুমের শুরু থেকেই কোচ ফেরান্দোর লক্ষ্যই ছিল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট।
‘এভাবেও ফিরে আসা যায়’, চন্দ্রবিন্দুর গানের এই লাইনটা মনে হয় একশো শতাংশ প্রযোজ্য সোমবারের ইস্টবেঙ্গলের জন্য। একটা দুরন্ত শুরু।
ড্র ও জয় দিয়ে শুরুর পর টানা তিন ম্যাচে হার এবং গত ম্যাচে দ্বিতীয় ড্র—এ সবের পর ইস্টবেঙ্গল এফসি ছয় ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত আইএসএল টেবলের ন’নম্বরে
বারবার জয়ের কাছে গিয়েও ফিরে আসা ইস্টবেঙ্গলের কাছে কার্যত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চলতি লিগে দ্বিতীয় ম্যাচ ছাড়া আর কোনও ম্যাচে জিততে পারেনি তারা।
