ডুরান্ড কাপ জয়ের মাধ্যমে মরসুমের প্রথম লক্ষ্য পূরণ হল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। এ বার পরবর্তী লক্ষ্য এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের গণ্ডী পেরনো।
ডুরান্ড কাপ ২০২৩ চ্যাম্পিয়নও হয়ে গেল মোহনবাগান। মরসুমের প্রথম ট্রফি নিয়ে এএফসি কাপে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নামবে হুয়ান ফেরান্দোর দল।
গত ১২ অগস্ট ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। যে ম্যাচে দীর্ঘদিন পর ডার্বি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এ বার বার রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ সেমিফাইনাল, যেখানে এফসি গোয়ার মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান— সেই ম্যাচ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপ ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ১৯ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। সেদিন ম্যাচের ফল হয়েছিল ২-১। জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। এবার কার?
১৬ অগস্ট ১৯৮০, ইডেন উদ্যানে কলকাতা লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই বড় দল মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল। লিখলেন সাংবাদিক বিপ্লব দাশগুপ্ত।
শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গল এফসির। সাড়ে চার বছর পর মোহনবাগানকে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের হিসেব করা সম্ভব নয়।
তবে আপাতত ডুরান্ড কাপে কলকাতা ডার্বি-র মালিক ইস্টবেঙ্গল। দুই স্প্যানিশ কোচের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন কুয়াদ্রাত। ম্যাচ জিতে তিনি খুশি। তবে আপ্লুত হতে নারাজ।
কলকাতা ডার্বি-র মুড কিছুটা হতাশ করেছিল ঠিকই কিন্তু সময় যত গড়াল গ্যালারি সমর্থক সমৃদ্ধ হয়ে উঠল কিন্তু চিরচেনা ডার্বির গ্যালারি এদিন অধরাই থাকল পুরো ৯০ মিনিট।
কলকাতা ডার্বি-র দু’দিন আগে থেকে দুই ক্লাবের বাইরে টিকিটের জন্য যে হাহাকার দেখা দিয়েছিল তার সিকিভাগ প্রভাবও দেখা গেল না শনিবাসরীয় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।
