২০২৩ সালে আইপিএলের অভিযানের শুরুতেই টানা চার ম্যাচে হারল দিল্লি। আইপিএলের ইতিহাসে এটা তাদের দ্বিতীয় জঘন্য শুরু। এর আগে ২০১৩ সালে দিল্লি ক্যাপিটালস টানা ছয় ম্যাচ হেরেছিল। এই বছর সেই হারের সংখ্যাটা ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে চারে।
আইপিএলে পরপর তিন ম্যাচে হার। এমনই কোনঠাসা অবস্থা দিল্লি ক্যাপিটালসের। এই অবস্থায় ঘুরে দাড়াতে আজ মুম্বইকে হারানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে ডেভিড ওয়ার্নাররা। রোহিত শর্মাদের অবস্থাও লিগে সুবিধাজনক নয়। পরপর দুই ম্যাচ হেরে তারাও মনোবল হারিয়ে ফেলেছে।
রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধেও জিততে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস। সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে ডেভিড ওয়ার্নাররা হারলেন ৫৭ রানে। প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান করে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান। জবাবে দিল্লির ইনিংস শেষ হল ৯ উইকেটে ১৪২ রানে।
প্রথম ম্যাচে হেরে কিছুটা পিছিয়ে থাকা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে এ বার চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথম ম্যাচে রোহিত শর্মাদের হারতে হয়েছিল বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে। এ বার সামনে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।
আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেও হার বজায় রইল দিল্লি ক্যাপিটালসের। আবার পরপর দুই ম্যাচ জিতে নিজেদের ফর্ম ধরে রাখল গুজরাত। এদিন দিল্লিকে তারা হারাল ৬ উইকেটে।
পঞ্জাব গত মরশুমে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেছিল। তারা লিগ টেবলের ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেছিল। শিখর ধাওয়ানের নেতৃত্বাধীন দল তাদের প্রথম আইপিএল শিরোপার অপেক্ষায় রয়েছে। অপরদিকে নতুন অধিনায়ক নিয়ে মাঠে নামছে কেকেআর।
ম্যাচের পর এইজন্য নিজেদের ব্যাটিং বিপর্যয়কেই দায়ি করলেন দিল্লির অধিনায়ক মেগ ল্যানিং। তাঁর দাবি, আমাদের আরও কিছু রান করা উচিত ছিল।
ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৩১ রান করতে সক্ষম হয় দিল্লি ক্যাপিটালস। জবাবে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় মুম্বই।
আইপিএলের নতুন নিয়মে এবার গুরুত্ব হারাবে অলরাউন্ডাররা। এমনটাই মনে করছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ রিকি পন্টিং। তিনি মনে করছেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম অলরাউন্ডারের ভূমিকা কমিয়ে দেবে।
