দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে শেষ যে লড়াই দিল দল তাতে ব্যবধান তিন গোলের না হলে ফল অন্যরকমও হতে পারত।
যে সময়ে দলের ফুটবলারদের ভাল পারফরম্যান্স আশা করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা, ঠিক সেই সময়েই তাদের পারফরম্যান্সের রেখচিত্র নিমনগামী হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ তারা।
ফের প্লে অফের দরজা থেকে ফিরে এল ইস্টবেঙ্গল এফসি। বুধবার এফসি গোয়াকে হারাতে পারলে তারা সেরা ছয়ের দরজা খুলতে পারত।
নয় থেকে এক লাফে ছয়ে আসাটা খুব একটা সোজা নয় ঠিকই। কিন্তু চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে নয় ও ছয়ের দূরত্ব মাত্র তিন পয়েন্টের।
১৭ ম্যাচ ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত লিগ টেবলের ৯ নম্বরে রয়েছে লাল-হলুদ বাহিনী। ছ’নম্বরে থাকা বেঙ্গালুরু এফসি-র সঙ্গে তাদের তিন পয়েন্টের দূরত্ব।
আরএফডিএল ইস্ট জোন কোয়ালিফায়ারের খেলা শুরু হয়ে গেল কলকাতা ও শহর সংলগ্ন জেলায় জেলায়। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি ও অ্যাডামাস ইউনাইটেড স্পোর্টস অ্যাকাডেমি।
ম্যাচের বয়স এক মিনিট হওয়ার আগেই গোল করে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল এফসি।
সেরা ছয়ের লক্ষ্যের দিকে দৌড়নো ইস্টবেঙ্গল এফসি ক্রমশ পিছিয়ে পড়লেও তারা এখনও লক্ষ্যপূরণের আশায় রয়েছে।
যে ম্যাচে জিতলে তারা সেরা ছয়ের দরজায় কড়া নাড়তে পারতেন, সেই ম্যাচে হারতে হল তাঁর দলকে।
সাফল্যের রাস্তা খুঁজছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। গত কয়েক বছর সাফল্য ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে আড়ি থাকলেও তাঁর মধ্যস্থতায় সেই গোসা অনেকটাই কেটেছে।
