অনূর্ধ্ব-১২ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তার পর গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারিতে। বাংলা থেকে এখনও পর্যন্ত সায়ন্তন দাস-ই শেষ গ্র্যান্ডমাস্টার।
১৭ বছরের কিশোর গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্দা আবার বাজিমাত করলেন। চ্যাম্পিয়ন হলেন হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে ভি গেজা হেতেনি মেমোরিয়াল সুপার জি এম দাবা টুর্নামেন্ট ২০২৩-এ।
এই দিব্যেন্দু বড়ুয়া-কে দেখলে তাঁর উত্থান সম্পর্কে কোনও ধারণাই পাওয়া যাবে না। এই প্রজন্ম দেখছেন তাঁকে যিনি বাংলার প্রথম ও ভারতের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার।
সুপার ইউনাইটেড র্যাপিড অ্যান্ড ব্লিৎজ ক্রোয়েশিয়া ২০২৩-এর তৃতীয় দিনে জিএম গুকেশ ডি তাঁর মেন্টর জিএম বিশ্বনাথন আনন্দকে পরাজিত করলেন।
প্রিমিয়ার চেস লিগ বেঙ্গল চ্যাপ্টারের সাফল্য যে দিন দিন বেড়ে চলেছে তা আরও একবার প্রমাণ হল উত্তর ২৪ পরগনা-নদিয়াকে নিয়ে জোন ডি-র ইভেন্টে।
সুচরিতা সেন চৌধুরী: সুদূর চক্রধরপুর থেকে বিশ্ব দাবার আসরে পৌঁছে যাওয়াটা যে সহজ ছিল না সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু দীপ সেনগুপ্ত নিভৃতে বেড়ে উঠছিলেন ঝাড়খণ্ডের সেই গ্রামে। যেখানে চাইলেই হাতের মুঠোয় পাওয়া যায় না সব সুবিধা। কিন্তু কথায় আছে, প্রতিভাকে...
তিনি সন্দীপন চন্দ । ভারতীয় দাবা তথা বাংলার দাবায় একটা বড় নাম। কিন্তু কথা বলতে গেলে বোঝা যায়, তিনি বাকিদের থেকে একদমই আলাদা। ভাবনা-চিন্তার জগৎটাই অন্য রকম।
বাংলার কনিষ্ঠতম গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ্তায়ন ঘোষ । মাঝে গ্রাস করেছিল অনিশ্চয়তা। সে কারণে মন দিয়েছিলেন পড়াশোনায়।
খেলতে খেলতেই দাবায় চলে আসা। তার মধ্যে ছিল বিদেশ ঘোরার স্বপ্নও। তা বলে সপ্তর্ষি রায়চৌধুরী দাবা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া থেমে যায়নি।
ভারতের তরুণ গ্র্যান্ডমাস্টার ডি গুকেশ ২০২৩ নরওয়ে দাবা টুর্নামেন্টের সপ্তম রাউন্ডে তাঁর দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রাখলেন। যদিও এই লড়াই সহজ ছিল না।
