লড়াইটা শুরু হয়েছিল ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে হারের পর থেকেই। কার্লেস কুয়াদ্রাতের হাত ধরে আট ম্যাচ পর মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের হাসি হেসেছিল ইস্টবেঙ্গল।
যে পরিকল্পনা নিয়ে সিরিয়ার বিরুদ্ধে এএফসি এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল তাঁর দল, সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি বলেই হার দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করতে হল ভারতকে।
মরশুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল এফসি । এ বার মরশুমের মাঝামাঝি সুপার কাপের ফাইনাল থেকে একধাপ দূরে তারা।
এএফসি এশিয়ান কাপের শেষ ম্যাচেও হারতে হল ভারতকে। ফিফা ক্রমতালিকায় তাদের চেয়ে ১১ ধাপ এগিয়ে থাকা সিরিয়া ১-০-য় জিতে টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোয় খেলার যোগ্যতা অর্জন করল তারা।
পাঁচ গোল খাওয়ার পর ভারতীয় শিবির ধাক্কা খেলেও মঙ্গলবারের ম্যাচ থেকে ইতিবাচক ফল অর্জন করার মরিয়া চেষ্টা করবেন বলে জানিয়ে দিলেন ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী ।
যদি প্রশ্ন করেন, এএফসি এশিয়ান কাপ-এর নক আউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা কি আছে ভারতের? উত্তর, ক্ষীণ সম্ভাবনা আছে, কিন্তু সে জন্য মঙ্গলবার ভারতকে সিরিয়ার বিরুদ্ধে জিততেই হবে।
এএফসি এশিয়ান কাপ-এর প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর উজবেকিস্তানের কাছেও হেরেছে ভারত। ফলে তাদের নক আউটে যাওয়ার আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে গিয়েছে।
গত কয়েক ম্যাচে দুই দলের পারফর্মেন্স দেখে ধরে নেওয়াই হয়েছিল এই ডার্বি জিততে চলেছে ইস্টবেঙ্গলই।
প্রথম ডার্বি গোল। শুধু গোল নয় ডার্বিতে প্রথম জোড়া গোল। কলিঙ্গ সুপার কাপ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম নায়ক তিনিই।
ডার্বির ভুবনেশ্বর যে রঙ বদলাবে তা নিয়ে কোনও সংশয় ছিল না। বাংলার সব রাস্তাই এদিন এসে মিশেছিল এই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে।
