বারাসত স্টেডিয়ামের মাঠ তৈরি নয়, তাই শেষপর্যন্ত কল্যানী স্টেডিয়ামের মাঠকেই ১৯ জুলাই কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ডার্বির জন্য বেছেছে আইএফএ। ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হতে তৈরি থাকলেও, কল্যানীর মাঠে খেলা দেওয়া নিয়ে রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত...
মোহনবাগান দিবসে এবার ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি স্বপন সাধন (টুটু ) বসুকে মোহনবাগান রত্ন সম্মান দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন সবুজ মেরুনের কর্তারা। মঙ্গলবার কার্যকরী কমিটির বৈঠক শেষে ক্লাব তাঁবুতে বসে মোহনবাগানের বর্তমান সভাপতি দেবাশিস দত্ত ও সচিব সৃঞ্জয়...
মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট(এমআরএ) ইস্যুতে আইএসএল আয়োজন সাময়িক স্থগিত রাখার কথা এই টুর্নামেন্টের পরিচালন সমিতি এফএসডিএল অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোর পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে জানিয়েছে। এতে ভারতীয় ফুটবল মহলে রীতিমতো আলোড়ন পড়ে গেছে।
ডুরান্ড কাপে অংশগ্রহণ নিয়ে সংগঠক কমিটি সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষের কাছে ৪টি শর্ত দিয়ে চিঠি লিখেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। সেই শর্তের সবকটাই ডুরান্ড কমিটি মেনে নেওয়ায় সবুজ মেরুন টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়ে দিল, তারা খেলছে টুর্নামেন্টে।
আইএসএল কবে শুরু হবে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোনটা দেশের এক নম্বর লিগ হিসেবে গণ্য হবে, সেটা ঘিরে যেমন ফুটবল মহলে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তেমন একটা বড় প্রশ্নচিহ্নর মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে কলকাতার মহমেডান স্পোর্টং ক্লাবকে।
পিএসজির সোনার মরশুম চলছে। তাদের বিজয়রথের দৌড় অব্যাহত। সেমিফাইনালে রিয়েল মাদ্রিদকে ৪-০ গোলে চূর্ণ করে ফিফা বিশ্ব ক্লাব কাপের ফাইনালে উঠে এক নয়া ইতিহাস গড়ার সামনে দাঁড়িয়ে তারা।
এ এক অদ্ভূত পরিস্থিতি। ডুরান্ড কাপের সূচী প্রকাশ করেছে টুর্নামেন্ট কমিটি, তাতে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে রেখে। অথচ সেটা করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই। এতে বাগানের খেলা নিয়ে জট পাকাতে পারে।
আইএফএর এক অভিনব উদ্যোগ। শ্রাচী স্পোর্টস ও জি স্পোর্টসের হাত ধরে। বেঙ্গল সুপার লিগ। এই নতুন ধরনের ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু হতে চলেছে চলতি বছরের অক্টোবরে, পুজোর পরে।
তিনটি ইওরোপিয়ান ও একটি ব্রাজিলিয়ান দলের নজর এখন ২০২৫ ফিফা বিশ্ব ক্লাব কাপ ট্রফিতে।
ভারতীয় ফুটবল ফেডারশনের টেকনিকাল কমিটির চেয়ারম্যান আইএম বিজয়ন। ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও কিংবদন্তী স্ট্রাইকার বিজয়ন ও তাঁর টেকনিকাল কমিটির সদস্যদের হাতে রয়েছে পরবর্তী ভারতীয় সিনিয়র পুরুষ দলের কোচ নিয়োগের ভার।
